Written Test Driving Level-3 Suggestion V-o4 by Job Edu BD
Driving Level-3 Suggestion V-04 is not a question for the NSDA or BTEB board, but our driving and CBTA experts believe that with such preparation, there is a possibility of scoring 100% in the Driving Level-3 Assessment written test.
Written Test Driving Level-3 Suggestion V-o4 by Job Edu BD
সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দিন
০১। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত?
ক) ২৪ বছর
খ) ২৫ বছর
গ) ২০ বছর
ঘ) ১৮ বছর
০২। শুকনা পাকা রাস্তায় ৫০ কিমি/ বেগে চলার সময় ব্রেক করলে থামার দূরত্ব কত?
ক) ২৫ মিটার
খ) ৩৫ মিটার
গ) ৫০ মিটার
ঘ) ২৫ গজ
০৩। একজন চালক বিরতিহীনভাবে সর্বোচ্চ কত ঘণ্টা গাড়ি চালাতে পারে?
ক) ৫ ঘণ্টা
খ) ১০ ঘণ্টা
গ) ১২ ঘণ্টা
ঘ) ৭ ঘণ্টা
০৪।গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটলে সর্বপ্রথম দায়িত্ব কী?
ক) থানায় খবর দেওয়া
খ) গাড়ি নিরাপদ স্থানে সরানো
গ) পালিয়ে যাওয়া
ঘ) আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা
০৫। গাড়ি চালানোর সময় সাইড মিরর প্রতি মিনিটে কতবার দেখা উচিত?
ক) ৮ বার
খ) ৬ বার
গ) ১০ বার
ঘ) ৩ বার
০৬। মোটরযান আইনে ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গত গাড়ি চালালে শাস্তি কী?
ক) ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
খ) ৪০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
গ) ৩৫০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
ঘ) ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
০৭। রাতের বেলায় বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ির হেডলাইট চোখে পড়লে কী করা উচিত?
ক) ডিম করা উচিত
খ) হাই বিম করা
গ) লাইট বন্ধ করা
ঘ) কোনোটিই নয়
০৮। প্রধান সড়কে প্রবেশের সতর্কতা কোনটি?
ক) নিজের গতি বজায় রাখা
খ) হর্ন বাজিয়ে প্রবেশ করা
গ) ইন্ডিকেটর দিয়ে গাড়ির গতি কমিয়ে প্রধান সড়কের গাড়িকে অগ্রাধিকার প্রদান করা
ঘ) যেকোনো দিক দিয়ে প্রবেশ করা
০৯। অপেশাদার ও পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের সর্বনিম্ন বয়স কত?
ক) ২৪ ও ২৬ বছর
খ) ২৫ ও ২৭ বছর
গ) ২০ ও ২২ বছর
ঘ) ১৮ ও ২০ বছর
১০। মোটরযান আইনে বীমা কেন প্রয়োজন?
ক) প্রথম পক্ষের ঝুঁকির জন্য
খ) তৃতীয় পক্ষের ঝুঁকির জন্য
গ) স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ঝুঁকির জন্য
ঘ) দ্বিতীয় পক্ষের ঝুঁকির জন্য
১১। মোটরযানের বীমা (ইনস্যুরেন্স) কোথায় করতে হয় ?
ক) বিআরটিএ অফিসে
খ) সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে
গ) গাড়ির শোরুমে
ঘ) সাধারণ বীমা কোম্পানিতে
১২। মোটরযানের বীমা কোন ধরনের বীমার অন্তর্ভুক্ত?
ক) সাধারণ বীমা
খ) জীবন বীমা
গ) মেয়াদি সঞ্চয় বীমা
ঘ) তিন ঝুঁকির বীমা
১৩। মোটরযানের বীমা বাধ্যতামূলক হওয়ার বিষয়টি মোটরযান অধ্যাদেশের কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
ক) ১০৮ ধারা
খ) ১০৯ ধারা
গ) ১০৫ ধারা
ঘ) ১০২ ধারা
১৪। বীমাবিহীন মোটরযান চালালে সর্বোচ্চ জরিমানা কত?
ক) ২০০ টাকা পর্যন্ত
খ) ২০০০ টাকা পর্যন্ত
গ) ৩০০ টাকা পর্যন্ত
ঘ) ৪০০ টাকা পর্যন্ত
১৫। বীমাবিহীন গাড়ি চালানোর শাস্তি কোন ধারায় বর্ণিত?
ক) ১০০ ধারা
খ) ১০১ ধারা
গ) ১৫৫ ধারা
ঘ) ১৫৫ ধারা
১৬। দুর্ঘটনার কত সময়ের মধ্যে বীমা কোম্পানিতে ক্ষতিপূরণের আবেদন করতে হয়?
ক) ৬ মাসের মধ্যে
খ) ৩ মাসের মধ্যে
গ) ২ মাসের মধ্যে
ঘ) ১ মাসের মধ্যে
১৭। বীমাকৃত গাড়ির ফিটনেস/টোকেনের মেয়াদ উত্তীর্ণ অবস্থায় দুর্ঘটনা ঘটলে ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে কি?
ক) হ্যাঁ, যদি বীমার মেয়াদ থাকে
খ) পাওয়া যাবে না
গ) আংশিক পাওয়া যাবে
ঘ) সিদ্ধান্ত নির্ভর করে আদালতের উপর
১৮। কমপ্রেহেনসিভ বীমার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ পায় কে?
ক) শুধু গাড়ি
খ) শুধু পথচারী
গ) শুধু চালক
ঘ) গাড়ি ও তৃতীয় পক্ষ উভয়ই
১৯। তৃতীয় পক্ষ বীমার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয় না—
ক) গাড়ির
খ) আহত ব্যক্তির
গ) আহত যাত্রীর
ঘ) আহত পথচারীর
২০। মোটরযান আইনে কোন ধরনের বীমা বাধ্যতামূলক?
ক) প্রথম পক্ষ
খ) কমপ্রেহেনসিভ
গ) তৃতীয় পক্ষ
ঘ) কোনোটি নয়
২১। তৃতীয় পক্ষের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয় কে?
ক) সরকার
খ) গাড়ির মালিক
গ) গাড়ি বিক্রেতা
ঘ) চালক
২২। ক্ষতিপূরণের জন্য দাবি করতে পারে—
ক) নিজে আহত ব্যক্তি
খ) নিহত ব্যক্তির আইনানুগ উত্তরাধিকারী
গ) উভয়ই
ঘ) উভয়ই
২৩। ফার্স্ট এইড কী?
ক) দ্রুত চিকিৎসা
খ) দুর্ঘটনা চিকিৎসা
গ) হাড় জোড়া চিকিৎসা
ঘ) প্রাথমিক চিকিৎসা
২৪। ফার্স্ট এইড বক্সে সাধারণত কী কী থাকে?
ক) অক্সিজেন সিলিন্ডার
খ) সাধারণ ওষুধ, এন্টিসেপ্টিক, তুলা, ব্যান্ডেজ
গ) স্ট্রেচার
ঘ) অপারেশনের যন্ত্রপাতি
ট্রাফিক রুলস ও রেগুলেশন
২৫। ড্রাইভিং লাইসেন্সের ধরন—
ক) পেশাদার
খ) অপেশাদার
গ) পেশাদার ও অপেশাদার
ঘ) কোনোটিই নয়
২৬। অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স কত?
ক) ২৪ বছর
খ) ২৫ বছর
গ) ২০ বছর
ঘ) ১৮ বছর
২৭। কোন জায়গায় অবশ্যই হর্ন বাজাতে হবে?
ক) গোল চত্বরে
খ) অন্ধ বাঁকে
গ) ইউ-টার্নের নিকট
ঘ) হাসপাতাল
২৮। ঘন কুয়াশার মধ্যে রাস্তায় গাড়ি চালাতে হেডলাইট জ্বালাতে হয় কেন?
ক) রাস্তা দেখার জন্য
খ) গাড়ির অবস্থান বোঝানোর জন্য
গ) ডানে মোড় নেবার জন্য
ঘ) ওভারটেক করার জন্য
২৯। বাজার এলাকায় অতিক্রমের সময় গাড়ির গতিবেগ কত থাকা উচিত?
ক) ৫০ কিমি/ঘণ্টা
খ) ১৫ কিমি/ঘণ্টা
গ) ৪৫ কিমি/ঘণ্টা
ঘ) ট্রাফিক সাইনে নির্দেশিত গতিসীমা
৩০। মোটর গাড়ির কাগজপত্র সর্বদা কে চেক করতে পারেন?
ক) ট্রাফিক পুলিশ, পুলিশ সার্জেন্ট, আনসার ও সেনাবাহিনীর সদস্য
খ) পুলিশ সার্জেন্ট, আনসার ও বিআরটিএ কর্মকর্তা
গ) পোশাক পরিহিত সর্বনিম্ন সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার পুলিশ অফিসার, বিআরটিএ কর্মকর্তা, মোবাইল কোর্ট
ঘ) মোবাইল কোর্ট, ট্রাফিক পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্য
৩১। যেখানে ওভারটেকিং নিষেধ সেখানে ওভারটেকিং করলে কত টাকা জরিমানা?
ক) ১০০ টাকা পর্যন্ত
খ) ২০০ টাকা পর্যন্ত
গ) ৩০০ টাকা পর্যন্ত
ঘ) ৪০০ টাকা পর্যন্ত
৩২. প্রশ্ন : গাড়ির ব্রেক ফেল করলে করণীয় কী ?
উত্তর : গাড়ির ব্রেক ফেল করলে প্রথমে অ্যাক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিতে হবে। ম্যানুয়াল গিয়ার গাড়ির ক্ষেত্রে গিয়ার পরিবর্তন করে প্রথমে দ্বিতীয় গিয়ার এবং পরে প্রথম গিয়ার ব্যবহার করতে হবে। এর ফলে গাড়ির গতি অনেক কমে যাবে। এই পদ্ধতিতে গাড়ি থামানো সম্ভব না হলে রাস্তার আইল্যান্ড, ডিভাইডার, ফুটপাত বা সুবিধামত অন্য কিছুর সাথে ঠেকিয়ে গাড়ি থামাতে হবে। ঠেকানোর সময় যানমালের ক্ষয়ক্ষতি যেন না হয় বা কম হয় সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।
৩৩. প্রশ্ন : গাড়ির চাকা ফেটে গেলে করণীয় কী ?
উত্তর : গাড়ির চাকা ফেটে গেলে গাড়ি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। এ সময় গাড়ির চালককে স্টিয়ারিং দৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে হবে এবং অ্যাক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে ক্রমান্বয়ে গতি কমিয়ে আস্তে আস্তে ব্রেক করে গাড়ি থামাতে হবে। চলন্ত অবস্থায় গাড়ির চাকা ফেটে গেলে সাথে সাথে ব্রেক করবেন না। এতে গাড়ি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে।
৩৪. প্রশ্ন : হ্যাজার্ড বা বিপদ সংকেত বাতি কী ?
উত্তর : প্রতিটি গাড়ির সামনে ও পিছনে উভয়পাশের কর্নারে একজোড়া করে মোট দুই জোড়া ইন্ডিকেটর বাতি থাকে। এই চারটি ইন্ডিকেটর বাতি একসাথে জ্বলে এবং নিভলে তাকে হ্যাজার্ড বা বিপদ সংকেত বাতি বলে। বিপজ্জনক মুহূর্তে, গাড়ি বিকল হলে এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এই বাতিগুলো ব্যবহার করা হয়।
৩৫. প্রশ্ন : গাড়ির ড্যাশবোর্ডে কী কী ইন্সট্রুমেন্ট থাকে ?
উত্তর :
ক. স্পিডোমিটার — গাড়ি কত বেগে চলছে তা দেখায়
খ. ওডোমিটার — তৈরির প্রথম থেকে গাড়ি কত কিলোমিটার বা মাইল চলেছে তা দেখায়
গ. ট্রিপমিটার — এক ট্রিপে গাড়ি কত কিলোমিটার/মাইল চলে তা দেখায়
ঘ. টেম্পারেচার গেজ — ইঞ্জিনের তাপমাত্রা দেখায়
ঙ. ফুয়েল গেজ — গাড়ির তেলের পরিমাণ দেখায়
৩৬. প্রশ্ন : গাড়িতে কী কী লাইট থাকে ?
উত্তর : হেডলাইট, পার্ক লাইট, ব্রেক লাইট, রিভার্স লাইট, ইন্ডিকেটর লাইট, ফগ লাইট এবং নাম্বার প্লেট লাইট।
৩৭. প্রশ্ন : পাহাড়ি ও ঢালু/চূড়ায় রাস্তায় গাড়ি কোন গিয়ারে চালাতে হয় ?
উত্তর : ফার্স্ট গিয়ারে। কারণ ফার্স্ট গিয়ারে গাড়ি চালানোর জন্য ইঞ্জিনের শক্তি বেশি প্রয়োজন হয়।
৩৮. প্রশ্ন : গাড়ির সামনে ও পিছনে লাল রঙের ইংরেজি “L” অক্ষরটি বড় আকারে লেখা থাকলে এর দ্বারা কী বোঝায় ?
উত্তর : এটি একটি শিক্ষানবিশ ড্রাইভার চালিত গাড়ি। এই গাড়ি হতে সতর্ক থাকতে হবে।
৩৯. প্রশ্ন : শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে গাড়ি চালানো বৈধ কি ?
উত্তর : ইন্সট্রাক্টরের উপস্থিতিতে ডুয়েল সিস্টেম (ডাবল স্টিয়ারিং ও ব্রেক) সংবলিত গাড়ি নিয়ে সামনে ও পিছনে “L” লেখা প্রদর্শন করে নির্ধারিত এলাকায় চালানো বৈধ।
৪০. প্রশ্ন : ফোর হুইল ড্রাইভ গাড়ি বলতে কী বোঝায় ?
উত্তর : সাধারণত ইঞ্জিন হতে গাড়ির পিছনের দুই চাকায় পাওয়ার (ক্ষমতা) সরবরাহ হয়ে থাকে। বিশেষ প্রয়োজনে যে গাড়ির চারটি চাকায় (সামনের ও পিছনের) পাওয়ার সরবরাহ করা হয়, তাকে ফোর হুইল ড্রাইভ গাড়ি বলে।
৪১. প্রশ্ন : ফোর হুইল ড্রাইভ কখন প্রয়োগ করতে হয় ?
উত্তর : ভালো রাস্তায় চলার সময় শুধুমাত্র পিছনের দুই চাকায় ড্রাইভ দেওয়া হয়। কিন্তু পিচ্ছিল, কাদাযুক্ত রাস্তায় চলার সময় চার চাকাতেই ড্রাইভ দিতে হয়।
৪২. প্রশ্ন : টুলবক্স কী ?
উত্তর : টুলবক্স হচ্ছে যন্ত্রপাতির বাক্স, যা গাড়ির সঙ্গে রাখা হয়। মোটরযান জরুরি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মালামাল টুলবক্সে রাখা হয়।
৪৩. প্রশ্ন : ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী ?
উত্তর : সর্বোচ্চ ৪ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৩৮ ধারা)। এ ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন।
৪৪. প্রশ্ন : গাড়িতে নিষিদ্ধ হর্ন কিংবা উচ্চশব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র সংযোজন ও ব্যবহার করলে শাস্তি কী ?
উত্তর : ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৩৯ ধারা)।
৪৫. প্রশ্ন : রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রুট পারমিট ব্যতীত গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী ?
উত্তর : প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড অথবা ২০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড। দ্বিতীয়বার বা পরবর্তী সময়ের জন্য সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৫২ ধারা)। এ ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন।
৪৬. প্রশ্ন : মদ্যপ বা মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোর শাস্তি কী ?
উত্তর : সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড অথবা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড। পরবর্তী সময়ে পুনরাবৃত্তির জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড এবং নির্দিষ্ট মেয়াদে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪৪ ধারা)।
৪৭. প্রশ্ন : নির্ধারিত গতির চেয়ে অধিক বা দ্রুত গতিতে (Over Speed) গাড়ি চালানোর শাস্তি কী ?
উত্তর : প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ দিন কারাদণ্ড অথবা ৩০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড। পরবর্তীতে একই অপরাধ করলে সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের কার্যকারিতা ১ মাসের জন্য স্থগিত (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪২ ধারা)।
৪৮. প্রশ্ন : বেপরোয়া ও বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালানোর শাস্তি কী ?
উত্তর : সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং যে কোনো মেয়াদের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্সের কার্যকারিতা স্থগিত (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪৩ ধারা)।
৪৯. প্রশ্ন : ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গত গাড়ি চালানোর শাস্তি কী ?
উত্তর : ২০০ টাকা জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা–১৫০)।
৫০. প্রশ্ন : নির্ধারিত ওজন সীমার অধিক ওজন (Over Load) বহন করে গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী ?
উত্তর : প্রথমবার ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং পরবর্তী সময়ে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ২০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড (ধারা–১৫৪)। এ ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন।
৫১. প্রশ্ন : ইনস্যুরেন্সবিহীন অবস্থায় গাড়ি চালানোর শাস্তি কী ?
উত্তর : ২০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা–১৫৫)।
৫২. প্রশ্ন : প্রকাশ্য সড়কে বা প্রকাশ্য স্থানে মোটরযান রেখে মেরামত করলে বা কোনো যন্ত্রাংশ বা দ্রব্য বিক্রয়ের জন্য সড়কে রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে শাস্তি কী ?
উত্তর : সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা। অনুরূপ মোটরযান অথবা খুচরা যন্ত্র বা জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা যাবে (ধারা–১৫৭)।
৫৩. প্রশ্ন : গাড়ি রাস্তায় চলার সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলে প্রথমে কী চেক করতে হবে ?
উত্তর : ফুয়েল বা জ্বালানি আছে কি না চেক করতে হবে।
৫৪. প্রশ্ন : পেট্রোল ইঞ্জিন স্টার্ট করতে ব্যর্থ হলে কোন দুটি প্রধান বিষয় চেক করতে হয় ?
উত্তর :
ক. প্লাগ পয়েন্টে ঠিকভাবে স্পার্ক হচ্ছে কি না
খ. কার্বুরেটরে পেট্রোল যাচ্ছে কি না
৫৫. প্রশ্ন : ফুয়েল ও অয়েল বলতে কী বোঝায় ?
উত্তর : ফুয়েল বলতে জ্বালানি অর্থাৎ পেট্রোল, অকটেন, সিএনজি, ডিজেল ইত্যাদি বোঝায় এবং অয়েল বলতে লুব্রিকেটিং অয়েল বা লুব অয়েল বা মোবিল বোঝায়।
৫৬. প্রশ্ন : লুব অয়েল (মোবিল) এর কাজ কী ?
উত্তর : ইঞ্জিনের বিভিন্ন ওয়ার্কিং পার্টসমূহকে ঘুরতে বা নড়াচড়া করতে সাহায্য করা, ক্ষয় থেকে রক্ষা করা এবং ইঞ্জিন পার্টসমূহকে ঠান্ডা ও পরিষ্কার রাখা মোবিলের কাজ।
৫৭. প্রশ্ন : কম মোবিল বা লুব অয়েলে ইঞ্জিন চালালে কী ক্ষতি হয় ?
উত্তর : বেয়ারিং অত্যধিক গরম হয়ে গলে যেতে পারে এবং পিস্টন সিলিন্ডার জ্যাম বা সিজড হতে পারে।
৫৮. প্রশ্ন : লুব অয়েল (মোবিল) কেন এবং কখন বদলানো উচিত ?
উত্তর : দীর্ঘদিন ব্যবহারে মোবিলে ইঞ্জিনের কার্বন, ক্ষয়িত ধাতু, ফুয়েল, পানি ইত্যাদি জমার কারণে এর গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায় বিধায় মোবিল বদলাতে হয়। গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রদত্ত ম্যানুয়াল/হ্যান্ডবুকের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাইল/কিলোমিটার চলার পর মোবিল বদলাতে হয়।
৫৯. প্রশ্ন : ইঞ্জিনে অয়েল (মোবিল) এর পরিমাণ কিসের সাহায্যে পরীক্ষা করা হয় ?
উত্তর : ডিপস্টিকের সাহায্যে।
৬০. প্রশ্ন : টায়ার প্রেসার বেশি বা কম হলে কী অসুবিধা হয় ?
উত্তর : টায়ার প্রেসার বেশি বা কম হওয়া কোনোটিই ভালো নয়। টায়ার প্রেসার বেশি হলে মাঝখানে বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, আবার টায়ার প্রেসার কম হলে দুই পাশে বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। ফলে টায়ার দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।
৬১. প্রশ্ন : কোন নির্দিষ্ট টায়ারের প্রেসার কত হওয়া উচিত তা কীভাবে জানা যায় ?
উত্তর : টায়ারের আকার (size), ধরন (type) ও লোড (বোঝা) বহন ক্ষমতার উপর নির্ভর করে প্রস্তুতকারক কর্তৃক সঠিক প্রেসার নির্ধারণ করা হয়, যা প্রস্তুতকারকের হ্যান্ডবুক/ম্যানুয়ালে উল্লেখ থাকে।
৬২. প্রশ্ন : টায়ার রোটেশন কী ?
উত্তর : বিভিন্ন কারণে গাড়ির সবগুলো টায়ারের ক্ষয় সমান হয় না। গাড়ির চাকাগুলোর ক্ষয়ের সমতা রক্ষার জন্য একদিকের টায়ার খুলে অপরদিকে কিংবা সামনের টায়ার খুলে পিছনে লাগানো অর্থাৎ টায়ারের স্থান পরিবর্তন করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে লাগানোর পদ্ধতিকেই টায়ার রোটেশন বলে। এর ফলে টায়ারের আয়ু বহুলাংশে বেড়ে যায়। উল্লেখ্য, লোয়ার সাইজের স্পেয়ার চাকা কখনো সামনে লাগানো উচিত নয়।
৬৩. প্রশ্ন : ব্যাটারির কাজ কী ?
উত্তর :
ক. ইঞ্জিনকে চালু করতে সহায়তা করা
খ. পেট্রোল ইঞ্জিনের ইগনিশন সিস্টেমে কারেন্ট সরবরাহ করা
গ. সকল প্রকার লাইট জ্বালাতে এবং মিটারসমূহ চালাতে সহায়তা করা
ঘ. হর্ন বাজাতে সাহায্য করা
৬৪. প্রশ্ন : নিয়মিত ব্যাটারির কী পরীক্ষা করা উচিত ?
উত্তর : পানির লেভেল।
৬৫. প্রশ্ন : সময় ও প্রয়োজনমতো ব্যাটারিতে ডিস্টিলড ওয়াটার না দিলে কী হয় ?
উত্তর : ব্যাটারির ক্যাপাসিটি কমে যায় এবং প্লেট নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
৬৬. প্রশ্ন : ব্যাটারির টার্মিনাল হতে মরিচা দূর করা হয় কেন ?
উত্তর : মরিচা সন্তোষজনক বৈদ্যুতিক সংযোগে বাধা দেয় এবং কালক্রমে টার্মিনালের ভিতর দিয়ে মরিচা পড়ে সম্পূর্ণ টার্মিনাল নষ্ট হয়ে যায়।
৬৭. প্রশ্ন : মরিচা পরিষ্কার করার পর টার্মিনালে কী করা উচিত ?
উত্তর : গ্রিজ লাগানো উচিত।
৬৮. প্রশ্ন : মোটরগাড়িতে ব্যবহৃত ব্যাটারির ভোল্টেজ কত থাকে ?
উত্তর : ৬ ভোল্ট এবং ১২ ভোল্ট থাকে। (বড় ট্রাক ও বাসে ২৪ ভোল্টের ব্যাটারিও ব্যবহৃত হয়)।
৬৯. প্রশ্ন : পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে ?
উত্তর : যে লাইসেন্স দিয়ে একজন চালক বেতনভুক্ত কর্মচারী হিসেবে কোনো মোটরযান চালিয়ে থাকে, তাকে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলে।
৭০. প্রশ্ন : পিএসপি লাইসেন্স কী ?
উত্তর : পিএসপি অর্থ পাবলিক সার্ভিস ভেহিকেল। ভাড়ায় চালিত যাত্রীবাহী মোটরযান চালানোর জন্য প্রত্যেক চালককে তার লাইসেন্সের অতিরিক্ত হিসেবে পিএসপি লাইসেন্স গ্রহণ করতে হয়।
৭১. প্রশ্ন : পাবলিক সার্ভিস মোটরযান (Public Service Vehicle) কাকে বলে ?
উত্তর : যে মোটরযান ভাড়ার বিনিময়ে যাত্রী বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে পাবলিক সার্ভিস মোটরযান বলে। ভাড়ায় চালিত বাস, মিনিবাস, হিউম্যানহলার (লেগুনা), ট্যাক্সিক্যাব ইত্যাদি পাবলিক সার্ভিস মোটরযানের অন্তর্ভুক্ত।
৭২. প্রশ্ন : বাসের আসন সংখ্যা কত ?
উত্তর : চালকসহ ৩১ জনের বেশি অর্থাৎ চালকসহ সর্বনিম্ন ৩২ জন।
৭৩. প্রশ্ন : মিনিবাসের আসন সংখ্যা কত ?
উত্তর : চালকসহ সর্বনিম্ন ১৬ জন এবং সর্বোচ্চ ৩১ জন।
৭৪. প্রশ্ন : একজন পেশাদার চালক দৈনিক কত ঘণ্টা গাড়ি চালাবে বা মোটরযানে কর্মঘণ্টা কত ?
উত্তর : এক নাগাড়ে ৫ ঘণ্টার বেশি নয়। অতঃপর আধা ঘণ্টা বিশ্রাম বা বিরতি নিয়ে আবার ৩ ঘণ্টা অর্থাৎ ১ দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি নয়। তবে ১ সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টার বেশি নয়।
৭৫. প্রশ্ন : ইঞ্জিন কাকে বলে ?
উত্তর : ইঞ্জিন হচ্ছে এক ধরনের যন্ত্র যেখানে জ্বালানি বা ফুয়েলকে পুড়িয়ে রাসায়নিক শক্তিকে প্রথমে তাপশক্তিতে এবং তাপশক্তিকে পরে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়।
৭৬. প্রশ্ন : ইঞ্জিনের প্রধান প্রধান কয়েকটি যন্ত্রাংশের নাম কী ?
উত্তর : সিলিন্ডার হেড, সিলিন্ডার ব্লক, পিস্টন, ক্র্যাঙ্কশ্যাফট, ক্যাম ও ক্যামশ্যাফট, কানেক্টিং রড, বিয়ারিং, ফ্লাই হুইল, অয়েল প্যান ইত্যাদি।
৭৭. প্রশ্ন : পেট্রোল ইঞ্জিন ও ডিজেল ইঞ্জিনের মধ্যে পার্থক্য কী ?
উত্তর :
ক. পেট্রোল ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসেবে পেট্রোল ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসেবে ডিজেল ব্যবহৃত হয়।
খ. পেট্রোল ইঞ্জিনে স্পার্কের মাধ্যমে ইগনিশন হয়, কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিনে কমপ্রেশনের মাধ্যমে ইগনিশন হয়।
গ. পেট্রোল ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে, কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিনে কার্বুরেটরের স্থলে ইনজেক্টর থাকে।
ঘ. পেট্রোল ইঞ্জিন অটো সাইকেলে কাজ করে, কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিন ডিজেল সাইকেলে কাজ করে।
৭৮. প্রশ্ন : কী কী লক্ষণ দেখা দিলে ইঞ্জিন ‘ওভারহোলিং’ করার প্রয়োজন হয় ?
উত্তর :
ক. ইঞ্জিনে জ্বালানি ও লুব অয়েল (মোবিল) বেশি খরচ হলে।
খ. ইঞ্জিন হতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া বের হলে।
গ. বোঝা বহন করার ক্ষমতা কমে গেলে।
ঘ. ফার্স্ট গিয়ারে উঁচু রাস্তায় উঠার সময় ইঞ্জিন গাড়িকে টানতে না পারলে।
৭৯. প্রশ্ন : ইঞ্জিন কুলিং সিস্টেমের কাজ বা উদ্দেশ্য কী ?
উত্তর : ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপমাত্রা হ্রাস করে ইঞ্জিনকে কার্যকরী তাপমাত্রায় রাখাই কুলিং সিস্টেমের উদ্দেশ্য বা কাজ।
৮০. প্রশ্ন : রেডিয়েটরের কাজ কী ?
উত্তর : রেডিয়েটরের কাজ পানি ঠান্ডা করা। রেডিয়েটর হতে ঠান্ডা পানি পাম্পের সাহায্যে ওয়াটার জ্যাকেটের মাধ্যমে ইঞ্জিনের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে ইঞ্জিনকে ঠান্ডা করে এবং গরম অবস্থায় পুনরায় রেডিয়েটরে ফিরে আসে। রেডিয়েটরে এই গরম পানি ঠান্ডা হয়ে পুনরায় ইঞ্জিনে যায়।
৮১. প্রশ্ন : কুলিং ফ্যানের কাজ কী ?
উত্তর : রেডিয়েটরের ভিতর দিয়ে বাতাস প্রবাহিত করা এবং গরম পানিকে ঠান্ডা করা।
৮২. প্রশ্ন : এয়ার কুলিং সিস্টেমে ইঞ্জিন কীভাবে ঠান্ডা হয় ?
উত্তর : ইঞ্জিন সিলিন্ডার ও হেডের চারদিকে বেশ কিছু পাতলা ধাতব পাত (ফিন) থাকে। বাতাসের সংস্পর্শে এই পাতলা ধাতব পাতসমূহ ঠান্ডা হয়ে ইঞ্জিনকে ঠান্ডা রাখে। যেমন— মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ইত্যাদি গাড়িতে এয়ার কুলিং সিস্টেম দেখা যায়।
৮৩. প্রশ্ন : ওয়াটার কুলিং সিস্টেমে কী ধরনের পানি ব্যবহার করা উচিত ?
উত্তর : ডিস্টিলড ওয়াটারের ন্যায় পরিষ্কার পানি, যেমন— পরিষ্কার পুকুর, নদী ও বৃষ্টির পানি ব্যবহার করা উচিত। সমুদ্রের লবণাক্ত পানি ও লৌহ মিশ্রিত পানি ব্যবহার করা উচিত নয়।
৮৪. প্রশ্ন : ফ্যানবেল্ট কোথায় থাকে ?
উত্তর : ইঞ্জিনের পুলি, ফ্যান পুলি ও ডায়নামো পুলির উপর পরানো থাকে।
৮৫. প্রশ্ন : একটি ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম অবস্থায় চলছে তা কীভাবে বোঝা যাবে ?
উত্তর :
ক. ড্যাশবোর্ডে টেম্পারেচার মিটারের কাঁটা লাল দাগে চলে যাবে।
খ. ইঞ্জিনে নক নক শব্দ হবে।
গ. পানি বেশি বাষ্পায়িত হয়ে ওভারফ্লো পাইপ দিয়ে বের হতে থাকবে।
ঘ. ক্রমান্বয়ে ইঞ্জিনের শক্তি কমতে থাকবে।
৮৬. প্রশ্ন : ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হলে করণীয় কী এবং এ অবস্থায় গাড়ি চালালে কী অসুবিধা হবে ?
উত্তর : প্রথমে ইঞ্জিন বন্ধ করে সুবিধামতো স্থানে গাড়ি পার্ক করতে হবে এবং বোনেট খুলে ইঞ্জিন ঠান্ডা হতে দিতে হবে। তারপর ইঞ্জিন গরম হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হলে যে কোনো মুহূর্তে পিস্টন ও বিয়ারিং গলে গিয়ে ইঞ্জিন জ্যাম বা সিজড হতে পারে, ফলে ইঞ্জিন পুনরায় ওভারহোলিং করতে হবে, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
৮৭. প্রশ্ন : এয়ার ক্লিনারের কাজ কী ?
উত্তর : বাতাসে যে সমস্ত ধূলিকণা থাকে তা পরিষ্কার করে বিশুদ্ধ বাতাস ইঞ্জিনে সরবরাহ করা। পরিষ্কার বাতাস কার্বুরেটরের মধ্যে প্রবেশ না করলে ধূলিকণা পেট্রোলের সাথে মিশ্রিত হয়ে ইঞ্জিনের সিলিন্ডার, পিস্টন ও পিস্টন রিংয়ের অতিদ্রুত ক্ষয় সাধন করে।
৮৮. প্রশ্ন : কার্বুরেটরের অবস্থান কোথায় এবং এর কাজ কী ?
উত্তর : কার্বুরেটরের অবস্থান ইঞ্জিনের ইনটেক ম্যানিফোল্ডের উপর ও এয়ার ক্লিনারের নিচে। ফুয়েল ও বাতাসকে নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত করে ইঞ্জিনে সরবরাহ করাই এর কাজ।
৮৯. প্রশ্ন : ডিস্ট্রিবিউটরের কাজ কী ?
উত্তর : প্রত্যেকটি স্পার্ক প্লাগে হাই ভোল্টেজ কারেন্ট পৌঁছে দেওয়া ডিস্ট্রিবিউটরের কাজ।
৯০. প্রশ্ন : কনডেনসারের কাজ কী ?
উত্তর : ডিস্ট্রিবিউটরের কন্ট্যাক্ট ব্রেকার পয়েন্টকে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করা।
৯১. প্রশ্ন : স্পার্ক প্লাগ কোথায় থাকে ?
উত্তর : পেট্রোল ইঞ্জিনের সিলিন্ডার হেডে।
৯২. প্রশ্ন : এয়ারলক ও ভেপারলকের অর্থ কী ?
উত্তর : ফুয়েল লাইনে বাতাস প্রবেশের কারণে ফুয়েল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াকে এয়ারলক বলে। ফুয়েল লাইন অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে আসলে লাইনের ভিতরে ভেপার বা বাষ্পের সৃষ্টি হয়। এই বাষ্পের চাপে লাইনের ভিতরে ফুয়েল সরবরাহ বন্ধ হওয়াকে ভেপারলক বলে।
৯৩. প্রশ্ন : কোন কোন ত্রুটির কারণে সাধারণত ইঞ্জিন স্টার্ট নেয় না ?
উত্তর : জ্বালানি না থাকলে, ব্যাটারিতে চার্জ না থাকলে বা দুর্বল হলে, স্টার্টার ঠিকমতো কাজ না করলে, কার্বুরেটর ঠিকমতো কাজ না করলে, ইগনিশন সিস্টেম ঠিকমতো কাজ না করলে, ডিজেল ইঞ্জিনের ফুয়েল লাইনে বাতাস ঢুকে গেলে।
৯৪. প্রশ্ন : কী কী কারণে ইঞ্জিন চলমান অবস্থায় বন্ধ হতে পারে ?
উত্তর : জ্বালানি শেষ হয়ে গেলে বা সরবরাহ বন্ধ হলে, ডিজেল ইঞ্জিনের ফুয়েল লাইনে বাতাস ঢুকে গেলে, স্পার্ক প্লাগে অতিরিক্ত তেল বা কার্বন জমলে, কার্বুরেটরে ফ্লাডিং হলে, এক্সিলারেটর প্রয়োজনমতো না চেপে ক্লাচ প্যাডেল ছেড়ে দিলে, অতিরিক্ত বোঝা বহন করলে।
৯৫. প্রশ্ন : ইগনিশন সিস্টেম ঠিক থাকলেও একটি ঠান্ডা ইঞ্জিন স্টার্ট না নিলে কী করতে হবে ?
উত্তর : মিশচার আরও রিচ করতে হবে (এক্সিলারেটর দাবায়ে কার্বুরেটর ফ্লাডিং দ্বারা অথবা এয়ার ইনটেক সম্পূর্ণ বন্ধ করে)।
৯৬. প্রশ্ন : ইগনিশন সিস্টেম ঠিক থাকলেও একটি ইঞ্জিন গরম অবস্থায় স্টার্ট না নিলে কী করতে হবে ?
উত্তর : মিশচার খুব বেশি রিচ হলে এমনটি হয়। ইগনিশন সুইচ অফ করে এবং থ্রটল ভাল্ব সম্পূর্ণ খুলে ইঞ্জিনকে কয়েকবার ঘোরাতে হবে। তারপর থ্রটল ভাল্ব বন্ধ করে ইগনিশন সুইচ অন করতে হবে।
৯৭. প্রশ্ন : ডিজেল ইঞ্জিনে গভর্নরের কাজ কী ?
উত্তর : গভর্নর ডিজেল ইঞ্জিনের ফুয়েল (ডিজেল) সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে ইঞ্জিনের স্পিড বা গতি নিয়ন্ত্রণ করে।
“You will pass just by asking the mentioned questions, it’s not like that at all, but chances are up to 80% to get common. This is just a suggestion. This question is not copied from any board question”
Post review
Finding Your Post
কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব–
কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি, বিশেষ করে বর্তমান যুগে যেখানে কর্মসংস্থান, শিল্প ও প্রযুক্তি নির্ভর উন্নয়ন সবচেয়ে বড় চাহিদা। নিচে এর কয়েকটি প্রধান গুরুত্ব তুলে ধরা হলোঃ
১. কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি
- কারিগরি শিক্ষা সরাসরি হাতে-কলমে কাজ শেখায়।
- দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে সহজে চাকরি পাওয়া যায় বা উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
২. দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা
- দক্ষ মানুষ কর্মক্ষেত্রে সহজে আয় করতে পারে।
- পরিবার ও সমাজের আর্থিক উন্নয়ন সম্ভব হয়।
৩. শিল্প ও প্রযুক্তির বিকাশ
- কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত জনশক্তি শিল্প খাতকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- নতুন প্রযুক্তি সহজে ব্যবহার ও উন্নয়ন সম্ভব হয়।
৪. স্বনির্ভরতা অর্জন
- কারিগরি শিক্ষা মানুষকে শুধু চাকরির জন্য নয়, বরং ব্যবসা-বাণিজ্য বা ছোট উদ্যোগ গড়ার ক্ষমতা দেয়।
- বিদেশে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে কাজ করার সুযোগ বাড়ে।
৫. জাতীয় উন্নয়ন
- একটি দেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষিত জনশক্তি অপরিহার্য।
- দক্ষ জনশক্তি বিদেশে কাজ করে রেমিট্যান্স বাড়ায়।
👉 সংক্ষেপে, কারিগরি শিক্ষা ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি।
Computer Operation Level-3 Suggestion V-12 (Special) is not a question for the NSDA or BTEB board, but our computer and CBTA experts believe that with such preparation, there is a possibility of scoring 100% in the Driving Level-3 Suggestion V-01 NSDA/BRTA/BTEB
Computer Operation, Graphic Design, 2D 3D CAD, WSMO, TDM, Pattern Making, EIM, Electrical, Consumer Electronics, PLC, Automotive Mechanics, Plumbing, Welding, RAC, Digital Marketing, Masonry, Driving Level-3 Suggestion V-01 NSDA/BRTA/BTEB



