Written Test Driving Level-3 Suggestion V-o2 by Job Edu BD

Driving Level-3 Suggestion V-02 is not a question for the NSDA or BTEB board, but our driving and CBTA experts believe that with such preparation, there is a possibility of scoring 100% in the Driving Level-3 Assessment written test.

 

✍️ বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (MCQ)

সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দিন

১। দুর্ঘটনার কত সময়ের মধ্যে বীমা কোম্পানির নিকট ক্ষতিপূরণের আবেদন করতে হবে?
ক) ৬ মাসের মধ্যে
খ) ৩ মাসের মধ্যে
গ) ২ মাসের মধ্যে
ঘ) ১ মাসের মধ্যে

২। অটোমেটিক লেভেল ক্রসিং এ চালককে কী করতে হয়?
ক) ধীর গতিতে গাড়ি চালাতে
খ) গাড়ি থামিয়ে ডানে-বামে দেখে নিরাপদ মনে হলে অতিক্রম করবে
গ) প্রতিবন্ধক না থাকলে অগ্রসর হতে
ঘ) ট্রেন আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে

৩। জাতীয় গতিসীমা কত কিলোমিটার?
ক) ৮০ কি.মি.
খ) ৯০ কি.মি.
গ) ৭০ কি.মি.
ঘ) ৬০ কি.মি.

৪। জনপথের চিহ্নটি দ্বারা কী বোঝায়?
ক) বাস ছাড়া অন্য গাড়ি প্রবেশ নিষেধ
খ) বাস ব্যতীত অন্যান্য গাড়ি প্রবেশ নিষেধ
গ) ওভারটেক করা পারমিটেড স্থান
ঘ) গাড়ি থামানো নিষেধ

৫। জনপথের চিহ্নটি দ্বারা কী বোঝায়?
ক) হাসপাতাল
খ) প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র
গ) রেস্টুরেন্ট
ঘ) বনাঞ্চল এলাকা

৬। বাংলাদেশে হালকা গাড়িতে কোন গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল বেশি ব্যবহার করা হয়?
ক) SAE-10W-20
খ) SAE-20W-30
গ) SAE-30W-40
ঘ) SAE-20W-50

৭। ম্যানুয়াল গিয়ারের সাধারণ গাড়িতে কয়টি গিয়ার থাকে?
ক) ২
খ) ৩
গ) ৪
ঘ) ৫

৮। প্রেসার প্লেট ও ক্লাচ কোথায় থাকে?
ক) ফ্লাইহুইল ও ক্লাচরিলিজ রেয়ারিং এ মাঝে থাকে
খ) ফ্লাইহুইল এ পিছনে
গ) ক্লাচরিলিজ রেয়ারিং এর নিচে থাকে
ঘ) কভার এর বাহিরে 

৯। ডানপাশের চিহ্ন দ্বারা কী বোঝায়?
ক) অরক্ষিত রেল ক্রসিং
খ) রক্ষিত রেল ক্রসিং
গ) সামনে চেকপয়েন্ট আছে
ঘ) পথচারী পারাপার

১০। ক্লাচের কাজ কী?
ক) গাড়ির গতি কমানো বা বাড়ানো
খ) ইঞ্জিন ও গিয়ার বক্স সংযোগ করা ও বিচ্ছিন্ন করা
গ) গাড়িকে নিউট্রাল করা
ঘ) উপরের সবগুলো

✅ সত্য / মিথ্যা

১১। ইঞ্জিন সুইচের সাহায্যে হেডলাইট নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

(ক) true

(খ) false

১২। অটো গাড়িতে ইঞ্জিন স্টার্ট এর জন্য ক্লাচ চাপতে হয়।

(ক) true

(খ) false

১৩। ট্রাফিক সিগনালে হলুদ বাতি জ্বাললে থামতে হয়।

(ক) true

(খ) false

১৪। ইঞ্জিন সুইচের সাহায্যে হেডলাইট নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

(ক) true

(খ) false

১৫। গাড়ির সামনে থাকা যানবাহন গুলোকে  সংকেত দিতে হয় যাতে আপনাকে ওভারটেক করার জায়গা দেওয়া হয় এটি সাধারণত ।

 (ক) true

(খ) false

১৬। থার্মোস্ট্যাট তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে সার্কিট চালু বা বন্ধ করতে পারে।

(ক) true

(খ) false

১৭। সিরিজ সার্কিটে কারেন্ট ভাগ হয়ে যায়।

(ক) true

(খ) false

১৮। নিউট্রাল শিফটের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩২২° সেলসিয়াস।

(ক) true

(খ) false

১৯। ইগনিশন চাবি লাগানো অবস্থায় সহজে পার্কিং চেক করা যায়।

(ক) true

(খ) false

২০। হাই প্রেসার গেজের রং নীল।

 (ক) true

(খ) false

✏️ শূন্যস্থান পূরণ করুন

২১। গাড়িতে ঝাঁকুনি কমাবার জন্য —————– ব্যবহার করা হয়।

উত্তর: শক এ্যবজরবার

২২। গাড়ির সাইলেন্সার পাইপ দিয়ে ছোট ফোঁটা পানি বের হলে ইঞ্জিন কন্ডিশন —————– বুঝায়।

উত্তর: ভালো

২৩। আমাদের দেশে গাড়ি রাস্তার —————– পাশ দিয়ে চলাচল করে।

উত্তর: বাম

২৪। এয়ার বা বায়ুর আয়তন শতকরা নাইট্রোজেন —————– ভাগ এবং —————– ভাগ অক্সিজেন।

উত্তর: ৭৯ , ২১ 

২৫। পেট্রোল ইঞ্জিন কম্প্রেশন রেশিও —————– থেকে —————– হয়।

উত্তর: ৭.১ থেকে ১০.১

২৬। ভার্নিয়ার ক্যালিপার  এ —————–  স্কেল থাকে।

উত্তর: 2 টি

২৭। ব্রেজিং শিখা অগ্নিস্কুলিঙ্গ সরবরাহ করতে —————– ব্যবহার করতে হয়। 

উওর: স্পার্ক লাইটার

২৮। রিসিপ্রোকেটিং কম্পোনেন্টের পিস্টন ও শ্যাফট সংযুক্ত থাকে —————– মাধ্যমে।

উত্তর: কানেক্টিং রডের

২৯। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের ফ্রিকোয়েন্সি —————–  ।

উত্তর: ৫০ হার্টজ

৩০। কম্প্রেসর মোটর চালু করার জন্য ক্যাপাসিটর ছাড়াও —————– ব্যবহার করা যায়।

উত্তর: পিটিছি  রিলে

📝 সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-

১. প্রশ্ন: জেব্রাক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী?

উত্তর: জেব্রাক্রসিংয়ে পথচারীদের অবশ্যই আগে যেতে দিতে হবে এবং পথচারী যখন জেব্রাক্রসিং দিয়ে পারাপার হবে তখন গাড়িকে অবশ্যই তার আগে থামাতে হবে। জেব্রাক্রসিংয়ের ওপর গাড়িকে থামানো যাবে না বা রাখা যাবে না।

২. প্রশ্ন: কোন কোন গাড়িকে ওভারটেক করার সুযোগ দিতে হবে?

উত্তর: যে গাড়ির গতি বেশি, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ইত্যাদি জরুরি সার্ভিস, ভিভিআইপি গাড়ি ইত্যাদিকে।

৩. প্রশ্ন: হেড লাইট ফ্ল্যাশিং বা আপার ডিপার ব্যবহারের নিয়ম কী?

উত্তর: শহরের মধ্যে সাধারণত ‘লো-বিম বা ডিপার বা মৃদুবিম’ ব্যবহার করা হয়। রাতে কাছাকাছি গাড়ি না থাকলে অর্থাৎ বেশিদূর পর্যন্ত দেখার জন্য হাইওয়ে ও শহরের বাইরের রাস্তায় ‘হাই বা আপার বা তীক্ষ্ণ বিম’ ব্যবহার করা হয়। তবে, বিপরীতদিক থেকে আগত গাড়ি ১৫০ মিটারের মধ্যে চলে আসলে হাইবিম নিভিয়ে লো-বিম জ্বালাতে হবে। অর্থাৎ বিপরীতদিক হতে আগত কোনো গাড়িকে পাস/পার হওয়ার সময় লো-বিম জ্বালাতে হবে।

৪. প্রশ্ন: গাড়ির ব্রেক ফেল করলে করণীয় কী?

উত্তর: গাড়ির ব্রেক ফেল করলে প্রথমে অ্যাক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিতে হবে। ম্যানুয়াল গিয়ারের গাড়ির ক্ষেত্রে গিয়ার পরিবর্তন করে প্রথমে দ্বিতীয় গিয়ার ও পরে প্রথম গিয়ার ব্যবহার করতে হবে। এর ফলে গাড়ির গতি অনেক কমে যাবে। এই পদ্ধতিতে গাড়ি থামানো সম্ভব না হলে রাস্তার আইল্যান্ড, ডিভাইডার, ফুটপাথ বা সুবিধামতো অন্যকিছুর সাথে ঠেকিয়ে গাড়ি থামাতে হবে। ঠেকানোর সময় যানমালের ক্ষয়ক্ষতি যেন না হয় বা কম হয় সেইদিকে সজাগ থাকতে হবে।

৫. প্রশ্ন: গাড়ির চাকা ফেটে গেলে করণীয় কী?

উত্তর: গাড়ির চাকা ফেটে গেলে গাড়ি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। এই সময় গাড়ির চালককে স্টিয়ারিং দৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে হবে এবং অ্যাক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে ক্রমান্বয়ে গতি কমিয়ে আস্তে আস্তে ব্রেক করে গাড়ি থামাতে হবে। চলন্ত অবস্থায় গাড়ির চাকা ফেটে গেলে সাথে সাথে ব্রেক করবেন না। এতে গাড়ি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে।

৬. প্রশ্ন: হ্যাজার্ড বা বিপদ সংকেত বাতি কী?

উত্তর: প্রতিটি গাড়ির সামনে ও পিছনে উভয়পাশের কর্নারে একজোড়া করে মোট দুই জোড়া ইন্ডিকেটর বাতি থাকে। এই চারটি ইন্ডিকেটর বাতি সবগুলো একসাথে জ্বললে এবং নিভলে তাকে হ্যাজার্ড বা বিপদ সংকেত বাতি বলে। বিপজ্জনক মুহূর্তে, গাড়ি বিকল হলে এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এই বাতিগুলো ব্যবহার করা হয়।

৭. প্রশ্ন: গাড়ির ড্যাশবোর্ডে কী কী ইনস্ট্রুমেন্ট থাকে?

উত্তর: ক. স্পিডোমিটার- গাড়ি কত বেগে চলছে তা দেখায়। খ. ওডোমিটার – তৈরির প্রথম থেকে গাড়ি কত কিলোমিটার বা মাইল চলছে তা দেখায়। গ. ট্রিপমিটার- এক ট্রিপে গাড়ি কত কিলোমিটার/মাইল চলে তা দেখায়। ঘ. টেম্পারেচার গেজ- ইঞ্জিনের তাপমাত্রা দেখায়। ঙ. ফুয়েল গেজ- গাড়ির তেলের পরিমাণ দেখায়।

৮. প্রশ্ন: গাড়িতে কী কী লাইট থাকে?

উত্তর: ক. হেডলাইট, খ. পার্কলাইট, গ. ব্রেকলাইট, ঘ. রিভার্সলাইট ঙ. ইন্ডিকেটরলাইট, চ. ফগলাইট এবং ছ. নাম্বারপ্লেট লাইট।

৯. প্রশ্ন: পাহাড়ি ও ঢাল/চূড়ায় রাস্তায় গাড়ি কোন গিয়ারে চালাতে হয়?

উত্তর: ফার্স্ট গিয়ারে। কারণ ফার্স্ট গিয়ারে গাড়ি চালানোর জন্য ইঞ্জিনের শক্তি বেশি প্রয়োজন হয়।

১০. প্রশ্ন: গাড়ির সামনে ও পিছনে লাল রঙের ইংরেজি “L” অক্ষরটি বড় আকারে লেখা থাকলে এর দ্বারা কী বোঝায়?

উত্তর: এটি একটি শিক্ষানবিশ ড্রাইভার চালিত গাড়ি। এই গাড়ি হতে সাবধান থাকতে হবে।

১১. প্রশ্ন: শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে গাড়ি চালানো বৈধ কি?

উত্তর: ইনস্ট্রাক্টরের উপস্থিতিতে ডুয়েল সিস্টেম (ডাবল স্টিয়ারিং ও ব্রেক) সম্বলিত গাড়ি নিয়ে সামনে ও পিছনে ‘L’ লেখা প্রদর্শন করে নির্ধারিত এলাকায় চালানো বৈধ।

১২. প্রশ্ন: ফোর হুইল ড্রাইভ গাড়ি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: সাধারণত ইঞ্জিন হতে গাড়ির পিছনের দুই চাকায় পাওয়ার (ক্ষমতা) সরবরাহ হয়ে থাকে। বিশেষ প্রয়োজনে যে গাড়ির চারটি চাকায় (সামনের ও পিছনের) পাওয়ার সরবরাহ করা হয়, তাকে ফোর হুইল ড্রাইভ গাড়ি বলে।

১৩. প্রশ্ন: ফোর হুইল ড্রাইভ কখন প্রয়োগ করতে হয়?

উত্তর: ভালো রাস্তাতে চলার সময় শুধুমাত্র পিছনের দুই চাকায় ড্রাইভ দেওয়া হয়। কিন্তু পিচ্ছিল, কর্দমাক্ত রাস্তায় চলার সময় চার চাকায় ড্রাইভ দিতে হয়।

১৪. প্রশ্ন: টুলবক্স কী?

উত্তর: টুলবক্স হচ্ছে যন্ত্রপাতির বক্স, যা গাড়ির সঙ্গে রাখা হয়। মোটরযান জরুরি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মালামাল টুলবক্সে রাখা হয়।

১৫. প্রশ্ন: ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী?

উত্তর: সর্বোচ্চ ৪ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৩৮ ধারা)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন।

১৬. প্রশ্ন: গাড়িতে নিষিদ্ধ হর্ন কিংবা উচ্চশব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র সংযোজন ও তা ব্যবহার করলে শাস্তি কী?

উত্তর: ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৩৯ ধারা)।

১৭. প্রশ্ন: রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রুট পারমিট ব্যতীত গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী?

উত্তর: প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড অথবা ২০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড। দ্বিতীয়বার বা পরবর্তী সময়ের জন্য সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৫২ ধারা)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন।

১৮. প্রশ্ন: মদ্যপ বা মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালনার শাস্তি কী?

উত্তর: সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড। পরবর্তী সময়ে প্রতিবারের জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড এবং নির্দিষ্ট মেয়াদে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪৪ ধারা)।

Written Test

১৯. প্রশ্ন: নির্ধারিত গতির চেয়ে অধিক বা দ্রুত গতিতে গাড়ি চালনার শাস্তি কী?

উত্তর: প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ দিন কারাদণ্ড বা ৩০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড। পরবর্তীতে একই অপরাধ করলে সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের কার্যকারিতা ১ মাসের জন্য স্থগিত (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪২ ধারা)।

২০. প্রশ্ন: বেপরোয়া ও বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালনার শাস্তি কী?

উত্তর: সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং যে কোনো মেয়াদের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্সের কার্যকারিতা স্থগিত (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪৩ ধারা)।

২১. প্রশ্ন: ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গত গাড়ি চালনার শাস্তি কী?

উত্তর: ২০০ টাকা জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১৫০)।

২২. প্রশ্ন: নির্ধারিত ওজন সীমার অধিক ওজন বহন করে গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী?

উত্তর: প্রথমবার ১,০০০ পর্যন্ত জরিমানা এবং পরবর্তী সময়ে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ২,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড (ধারা-১৫৪)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন।

২৩. প্রশ্ন: ইন্স্যুরেন্স বিহীন অবস্থায় গাড়ি চালনার শাস্তি কী?

উত্তর: ২,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১৫৫)।

২৪. প্রশ্ন: প্রকাশ্য সড়কে অথবা প্রকাশ্য স্থানে মোটরযান রেখে মেরামত করলে বা কোনো যন্ত্রাংশ বা দ্রব্য বিক্রয়ের জন্য সড়কে রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে শাস্তি কী?

উত্তর: সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা। অনুরূপ মোটরযান অথবা খুচরা যন্ত্র বা জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা যাবে (ধারা-১৫৭)।

২৫. প্রশ্ন: ফুয়েল গেজের কাজ কী?

উত্তর: ফুয়েল বা জ্বালানি ট্যাংকে কী পরিমাণ জ্বালানি আছে তা ফুয়েল গেজের মাধ্যমে জানা যায়।

২৬. প্রশ্ন: গাড়ি রাস্তায় চলার সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলে প্রথমে কী চেক করতে হবে?

উত্তর: ফুয়েল বা জ্বালানি আছে কি না চেক করতে হবে।

২৭. প্রশ্ন: পেট্রোল ইঞ্জিন স্টার্ট করতে ব্যর্থ হলে কোন দুটি প্রধান বিষয় চেক করতে হয়?

উত্তর: (ক) প্লাগ পয়েন্টে ঠিকভাবে স্পার্ক হচ্ছে কি না চেক করতে হয়। (খ) কার্বুরেটরে পেট্রোল যাচ্ছে কি না চেক করতে হয়।

২৮. প্রশ্ন: ফুয়েল ও অয়েল বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: ফুয়েল বলতে জ্বালানি অর্থাৎ পেট্রোল, অকটেন, সিএনজি, ডিজেল ইত্যাদি বোঝায় এবং অয়েল বলতে লুব্রিকেন্টিং অয়েল বা লুব অয়েল বা মবিল বোঝায়।

২৯. প্রশ্ন: অয়েল (মবিল) এর কাজ কী?

উত্তর: ইঞ্জিনের বিভিন্ন ওয়ার্কিং পার্টস (যন্ত্রাংশ) সমূহকে ঘুরতে বা নড়াচড়া করতে সাহায্য করা, ক্ষয় হতে রক্ষা করা এবং ইঞ্জিন পার্টস সমূহকে ঠান্ডা ও পরিষ্কার রাখা মবিলের কাজ।

৩০. প্রশ্ন: কম মবিল বা লুব অয়েলে ইঞ্জিন চালালে কী ক্ষতি হয়?

উত্তর: বিয়ারিং অত্যধিক গরম হয়ে গলে যেতে পারে এবং পিস্টন সিলিন্ডার জ্যাম বা সিজড্ হতে পারে।

৩১. প্রশ্ন: অয়েল (মবিল) কেন এবং কখন বদলানো উচিত?

উত্তর: দীর্ঘদিন ব্যবহারে মবিলে ইঞ্জিনের কার্বন, ক্ষয়িত ধাতু, ফুয়েল, পানি ইত্যাদি জমার কারণে এর গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায় বিধায় মবিল বদলাতে হয়। গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রদত্ত ম্যানুয়াল/হ্যান্ডবুকের নির্দেশ মোতাবেক নির্দিষ্ট মাইল/কিলোমিটার চলার পর মবিল বদলাতে হয়।

৩২. প্রশ্ন: লুব অয়েল (মবিল) কোথায় দিতে হয়?

উত্তর: ইঞ্জিনের উপরের অংশে হেড কভার বা ট্যাপেট কভারের নির্ধারিত পোর্টে ক্যাপ খুলে মবিল দিতে হয়।

৩৩. প্রশ্ন: ইঞ্জিনে অয়েল (মবিল) এর পরিমাণ কিসের সাহায্যে পরীক্ষা করা হয়?

উত্তর: ডিপস্টিক এর সাহায্যে।

৩৪. প্রশ্ন: কখন ক্লাচে চাপ দিতে হয়?

উত্তর: ক. গিয়ার পরিবর্তন করার সময়। খ. ব্রেক করার সময় যদি গাড়ি থেমে যেতে চায় বা থামাতে হয়।

৩৫. প্রশ্ন: টায়ার প্রেসার বেশি বা কম হলে কী অসুবিধা হয়?

উত্তর: টায়ার প্রেসার বেশি বা কম হওয়া কোনোটিই ভালো নয়। টায়ার প্রেসার বেশি হলে মাঝখানে বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, আবার টায়ার প্রেসার কম হলে দু-পাশে বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। ফলে টায়ার তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।

৩৬. প্রশ্ন: কোন নির্দিষ্ট টায়ারের প্রেসার কত হওয়া উচিত তা কীভাবে জানা যায়?

উত্তর: টায়ারের আকার, ধরন ও লোড (বোঝা) বহন ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে প্রস্তুতকারক কর্তৃক সঠিক প্রেসার নির্ধারণ করা হয়, যা প্রস্তুতকারকের হ্যান্ডবুক/ম্যানুয়ালে উল্লেখ থাকে।

৩৭. প্রশ্ন: গাড়ি না চালালে টায়ার কী করা উচিত?

উত্তর: গাড়ি দীর্ঘ সময়ের জন্য না চালালে টায়ার খুলে ঠান্ডা স্থানে দাঁড় করিয়ে রাখা উচিত। অল্প সময়ের জন্য হলে চাকাগুলি মাটি হতে উপরে উঠিয়ে রাখা উচিত অথবা মাঝে মাঝে হাওয়া দেওয়া উচিত।

৩৮. প্রশ্ন: টায়ার রোটেশন কী?

উত্তর: বিভিন্ন কারণে গাড়ির সবগুলো টায়ারের ক্ষয় সমানহারে হয় না। গাড়ির চাকাগুলোর ক্ষয়ের সমতা রক্ষার জন্য একদিকের টায়ার খুলে অন্যদিকে কিংবা সামনের টায়ার খুলে পিছনে লাগানোকে অর্থাৎ টায়ারের স্থান পরিবর্তন করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে লাগানোর পদ্ধতিকেই টায়ার রোটেশন বলে। এর ফলে টায়ারের আয়ু বহুলাংশে বেড়ে যায়।

৩৯. প্রশ্ন: ব্যাটারির কাজ কী?

উত্তর: ক. ইঞ্জিনকে চালু করতে সহায়তা করা। খ. পেট্রোল ইঞ্জিনের ইগনিশন সিস্টেমে কারেন্ট সরবরাহ করা। গ. সকল প্রকার লাইট জ্বালাতে এবং মিটারসমূহ চালাতে সহায়তা করা। ঘ. হর্ন বাজাতে সাহায্য করা।

৪০. প্রশ্ন: নিয়মিত ব্যাটারির কী পরীক্ষা করা উচিত? উত্তর: পানির লেভেল।

৪১. প্রশ্ন: সময় ও প্রয়োজনমতো ব্যাটারিতে ডিস্টিল্ড ওয়াটার না দিলে কী হয়?

উত্তর: ব্যাটারি ক্যাপাসিটি কমে যায় এবং প্লেট নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৪২. প্রশ্ন: ব্যাটারির টার্মিনাল হতে মরিচা দূর করা হয় কেন?

উত্তর: মরিচা সন্তোষজনক বৈদ্যুতিক সংযোগে বাধা দেয় এবং কালক্রমে টার্মিনালের ভিতর দিয়ে মরিচা পড়ে ও সম্পূর্ণ টার্মিনাল নষ্ট হয়ে যায়।

৪৩. প্রশ্ন: মরিচা পরিষ্কার করার পর টার্মিনালে কী করা উচিত?

উত্তর: গ্রিজ লাগানো উচিত।

৪৪. প্রশ্ন: মোটরগাড়িতে ব্যবহৃত ব্যাটারির ভোল্টেজ কত থাকে?

উত্তর: ৬ ভোল্ট এবং ১২ ভোল্ট থাকে। (বড় ট্রাকে এবং বাসে ২৪ ভোল্টের ব্যাটারিও ব্যবহৃত হয়ে থাকে)।

পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর

৪৫. প্রশ্ন: পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে?

উত্তর: যে লাইসেন্স দিয়ে একজন চালক বেতনভোগী কর্মচারী হিসেবে কোনো মোটরযান চালিয়ে থাকে, তাকে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলে।

৪৬. প্রশ্ন: পিএসভি লাইসেন্স কী?

উত্তর: পিএসভি অর্থ পাবলিক সার্ভিস ভেহিকেল। ভাড়ায় চালিত যাত্রীবাহী মোটরযান চালানোর জন্য প্রত্যেক চালককে তার লাইসেন্সের অতিরিক্ত হিসেবে পিএসভি লাইসেন্স গ্রহণ করতে হয়।

৪৭. প্রশ্ন: পাবলিক সার্ভিস মোটরযান কাকে বলে?

উত্তর: যে মোটরযান ভাড়ার বিনিময়ে যাত্রী বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে পাবলিক সার্ভিস মোটরযান বলে। ভাড়ায় চালিত বাস, মিনিবাস, হিউম্যানহলার (লেগুনা), ট্যাক্সিক্যাব ইত্যাদি পাবলিক সার্ভিস মোটরযানের অন্তর্ভুক্ত।

৪৮. প্রশ্ন: বাসের আসন সংখ্যা কত?

উত্তর: চালকসহ ৩১ জনের বেশি অর্থাৎ চালকসহ সর্বনিম্ন ৩২ জন।

৪৯. প্রশ্ন: মিনিবাসের আসন সংখ্যা কত?

উত্তর: চালকসহ সর্বনিম্ন ১৬ জন এবং সর্বোচ্চ ৩১ জন।

৫০. প্রশ্ন: একজন পেশাদার চালক দৈনিক কত ঘণ্টা গাড়ি চালাবে বা মোটরযানে কর্মঘণ্টা কত?

উত্তর: এক নাগাড়ে ৫ ঘণ্টার বেশি নয়। অতঃপর আধাঘণ্টা বিশ্রাম বা বিরতি নিয়ে আবার ৩ ঘণ্টা অর্থাৎ ১ দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি নয়। তবে ১ সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টার বেশি নয়।

৫১. প্রশ্ন: ইঞ্জিন কাকে বলে?

উত্তর: ইঞ্জিন হচ্ছে এক ধরনের যন্ত্র যেখানে জ্বালানি বা ফুয়েলকে পুড়িয়ে রাসায়নিক শক্তিকে প্রথমে তাপশক্তিতে এবং তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা।

৫২. প্রশ্ন: মোটরযান চালকের সর্বনিম্ন বয়স কত?

উত্তর: ক. অপেশাদার চালকের জন্য সর্বনিম্ন বয়স ১৮ (আঠারো) বছর। খ. পেশাদার চালকের জন্য ২০ (বিশ) বছর।

৫৩. একজন পেশাদার চালক সর্বোচ্চ কত ঘণ্টা গাড়ি চালাতে পারেন?

উত্তর: দৈনিক একনাগাড়ে ৫ (পাঁচ) ঘণ্টা আর মাঝে ৩০ মিনিট বিশ্রাম নিয়ে দৈনিক ৮ ঘণ্টা গাড়ি চালাতে পারে। আর সপ্তাহে মোট ৪৮ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালানো উচিত নয়।

৫৪. বাংলাদেশের জাতীয় গতি সীমা কত?

উত্তর: বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের জন্য জাতীয় গতি সীমা নিচে দেওয়া হল-

যানবাহনের শ্রেণী

শহর ও লোকালয় (কি.মি./ঘণ্টা)

মহাসড়ক (কি.মি./ঘণ্টা)

মোটর সাইকেল/কার/জিপ/স্টেশন ওয়াগন

৫০

১১০

বাস/কোচ/পিকআপ

৪০

৫৫

ভারী ট্রাক/লরী

৪০

৪০

ট্রাক্টর ও অন্যান্য ভারী যান

২০

৩০

Export to Sheets

৫৫. প্রশ্ন: গাড়ির আয়নার সাহায্যে পিছনের অবস্থা কতক্ষণ পর পর দেখতে হয়?

উত্তর: প্রতি মিনিটে ৬-৮ বার।

৫৬. প্রশ্ন: ইঞ্জিন কি?

উত্তর: ইঞ্জিন এক প্রকার যন্ত্র যা জ্বালানি হতে প্রাপ্ত তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে অর্থাৎ জ্বালানিকে পুড়িয়ে যে তাপ শক্তি পাওয়া যায় তাকে যান্ত্রিক শক্তিতে পরিণত করে।

৫৭. প্রশ্ন: ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয় কেন?

উত্তর: ক. রেডিয়েটরে পানি না থাকলে বা কম থাকলে। খ. ইঞ্জিন অয়েল (মবিল) না থাকলে বা কম থাকলে। গ. ফ্যান বেল্ট ছিঁড়ে গেলে। ঘ. অতিরিক্ত মাল বোঝাই করলে। ঙ. ইঞ্জিনের পানির পাম্প নষ্ট হলে। চ. ব্রেক জ্যাম হয়ে থাকলে।

৫৮. প্রশ্ন: কুলিং সিস্টেম বলতে কি বুঝ?

উত্তর: যে পদ্ধতির মাধ্যমে ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপকে অপসারণ করে ইঞ্জিনকে কার্যকরী তাপমাত্রায় রাখা হয় তাকে কুলিং সিস্টেম বলে।

৫৯. প্রশ্ন: কুলিং সিস্টেম কত প্রকার ও কি কি?

উত্তর: কুলিং সিস্টেম মূলত দুই প্রকার। যথা- ক. ওয়াটার কুলিং সিস্টেম ও খ. এয়ার কুলিং সিস্টেম।

৬০. প্রশ্ন: কোন গাড়ির সামনে ও পিছনে এল (L) লেখা থাকলে কি বুঝায়?

উত্তর: ড্রাইভিং শিক্ষানবিশদের গাড়ির সামনে ও পিছনে বড় অক্ষরে ‘এল’ (L) লেখা থাকে। এই গাড়ি থেকে সাবধান থাকতে হবে।

0%
0 votes, 0 avg
0
Created by Job Edu BD

Driving Level-3, Vol-02

এই পরীক্ষাটি শুধুমাত্র Level পরীক্ষায় নিজেকে ভালো নম্বরে উর্ত্তীন করার চেষ্টা মাত্র। এখানে ভালো নম্বর পাওয়ার দ্বারা আপনার আত্নবিশ্বাস উন্নয়নে কাজ করবে। পরীক্ষা খারাপ হলে প্রশ্নোত্তর গুলো পূনরায় পড়ে আবার চেষ্টা করার অনুরোধ রইল।

1 / 20

1. ১২। অটো গাড়িতে ইঞ্জিন স্টার্ট এর জন্য ক্লাচ চাপতে হয়।

2 / 20

2. ১। দুর্ঘটনার কত সময়ের মধ্যে বীমা কোম্পানির নিকট ক্ষতিপূরণের আবেদন করতে হবে?

3 / 20

3. ৩। জাতীয় গতিসীমা কত কিলোমিটার?

4 / 20

4. ১৫। গাড়ির সামনে থাকা যানবাহন গুলোকে  সংকেত দিতে হয় যাতে আপনাকে ওভারটেক করার জায়গা দেওয়া হয় এটি সাধারণত ।

5 / 20

5. ৮। প্রেসার প্লেট ও ক্লাচ কোথায় থাকে?

6 / 20

6. ১১। ইঞ্জিন সুইচের সাহায্যে হেডলাইট নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

7 / 20

7. ২০। হাই প্রেসার গেজের রং নীল।

8 / 20

8. ১৪। ইঞ্জিন সুইচের সাহায্যে হেডলাইট নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

9 / 20

9. ৪। জনপথের চিহ্নটি দ্বারা কী বোঝায়?

10 / 20

10. ৭। ম্যানুয়াল গিয়ারের সাধারণ গাড়িতে কয়টি গিয়ার থাকে?

11 / 20

11. ১৬। থার্মোস্ট্যাট তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে সার্কিট চালু বা বন্ধ করতে পারে।

12 / 20

12. ১৭। সিরিজ সার্কিটে কারেন্ট ভাগ হয়ে যায়।

13 / 20

13. ১৮। নিউট্রাল শিফটের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩২২° সেলসিয়াস।

14 / 20

14. ১৩। ট্রাফিক সিগনালে হলুদ বাতি জ্বাললে থামতে হয়।

15 / 20

15. ১০। ক্লাচের কাজ কী?

16 / 20

16. ৬। বাংলাদেশে হালকা গাড়িতে কোন গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল বেশি ব্যবহার করা হয়?

17 / 20

17. ৫। জনপথের চিহ্নটি দ্বারা কী বোঝায়?

18 / 20

18. ২। অটোমেটিক লেভেল ক্রসিং এ চালককে কী করতে হয়?

19 / 20

19. ৯। ডানপাশের চিহ্ন দ্বারা কী বোঝায়?

20 / 20

20. ১৯। ইগনিশন চাবি লাগানো অবস্থায় সহজে পার্কিং চেক করা যায়।

0%

Thankyou for connecting us.

“You will pass just by asking the mentioned questions, it’s not like that at all, but chances are up to 80% to get common. This is just a suggestion. This question is not copied from any board question”
Post review

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি, বিশেষ করে বর্তমান যুগে যেখানে কর্মসংস্থান, শিল্প ও প্রযুক্তি নির্ভর উন্নয়ন সবচেয়ে বড় চাহিদা। নিচে এর কয়েকটি প্রধান গুরুত্ব তুলে ধরা হলোঃ

. কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি

  • কারিগরি শিক্ষা সরাসরি হাতে-কলমে কাজ শেখায়।
  • দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে সহজে চাকরি পাওয়া যায় বা উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

. দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা

  • দক্ষ মানুষ কর্মক্ষেত্রে সহজে আয় করতে পারে।
  • পরিবার ও সমাজের আর্থিক উন্নয়ন সম্ভব হয়।

. শিল্প প্রযুক্তির বিকাশ

  • কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত জনশক্তি শিল্প খাতকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
  • নতুন প্রযুক্তি সহজে ব্যবহার ও উন্নয়ন সম্ভব হয়।

. স্বনির্ভরতা অর্জন

  • কারিগরি শিক্ষা মানুষকে শুধু চাকরির জন্য নয়, বরং ব্যবসা-বাণিজ্য বা ছোট উদ্যোগ গড়ার ক্ষমতা দেয়।
  • বিদেশে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে কাজ করার সুযোগ বাড়ে।

. জাতীয় উন্নয়ন

  • একটি দেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষিত জনশক্তি অপরিহার্য।
  • দক্ষ জনশক্তি বিদেশে কাজ করে রেমিট্যান্স বাড়ায়।

👉 সংক্ষেপে, কারিগরি শিক্ষা ব্যক্তিগত, সামাজিক জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি

Computer Operation Level-3 Suggestion V-12 (Special) is not a question for the NSDA or BTEB board, but our computer and CBTA experts believe that with such preparation, there is a possibility of scoring 100% in the Driving Level-3 Suggestion V-01 NSDA/BRTA/BTEB

Computer Operation, Graphic Design, 2D 3D CAD, WSMO, TDM, Pattern Making, EIM, Electrical, Consumer Electronics, PLC, Automotive Mechanics, Plumbing, Welding, RAC, Digital Marketing, Masonry, Driving Level-3 Suggestion V-01 NSDA/BRTA/BTEB

Job Edu BD Avatar

More Articles & Posts