Written Test Driving Level-3 Suggestion V-o3 by Job Edu BD

Driving Level-3 Suggestion V-03 is not a question for the NSDA or BTEB board, but our driving and CBTA experts believe that with such preparation, there is a possibility of scoring 100% in the Driving Level-3 Assessment written test.

 

✍️ বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (MCQ)

সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দিন

১। কুলিং ফ্যানের কাজ কী?
ক) রেডিয়েটরের পানিকে ঠান্ডা করা
খ) ইঞ্জিন অয়েলকে ঠান্ডা করা
গ) ব্রেক অয়েলকে ঠান্ডা করা
ঘ) ব্যাটারিকে ঠান্ডা করা

২। টেম্পারেচার মিটারে ইঞ্জিনের কী নির্দেশ করে?
ক) ইঞ্জিনের কার্যকরী তাপমাত্রা
খ) গিয়ার বক্সের কার্যকরী তাপমাত্রা
গ) রেডিয়েটরের কার্যকরী তাপমাত্রা
ঘ) গাড়ির কার্যকরী তাপমাত্রা

৩। গাড়ি স্টার্ট না হওয়ার কারণ কী?
ক) গাড়িতে ব্রেক অয়েল না থাকলে
খ) গিয়ার অয়েল না থাকলে
গ) প্রয়োজনীয় জ্বালানি না থাকলে
ঘ) ক্লাচ অয়েল না থাকলে

৪। ব্রেক মাস্টার সিলিন্ডারে ব্রেক অয়েলের লেভেল কম থাকলে কী হতে পারে?
ক) ব্রেক ফেল
খ) ইঞ্জিন ওভারহিট
গ) কালো ধোঁয়া
ঘ) বিকট আওয়াজ

৫। ক্লাচের কাজ কী?
ক) গাড়ির গতি কম ও বেশি করা
খ) ইঞ্জিন এবং গিয়ার বক্সের সংযোগ ও বিচ্ছিন্ন করা
গ) গাড়িকে নিউট্রাল করা
ঘ) উপরের সবগুলো

৬। ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হওয়ার কারণ—
ক) কুলিং ফ্যান কাজ না করলে
খ) রেডিয়েটরে পানি বা মোবিল কম থাকলে
গ) উপরের সবগুলো

৭। এয়ার ক্লিনারের কাজ—
ক) ইঞ্জিন ঠান্ডা করা
খ) বাতাস ও পেট্রোলের মিশ্রণ তৈরি করা
গ) বাতাস পরিষ্কার করা
ঘ) ইঞ্জিন চালু করতে সাহায্য করা

৮। টায়ার অতিরিক্ত ক্ষয় হয় কেন?
ক) চাকায় এলাইনমেন্ট ঠিক না থাকলে
খ) চাকায় বাতাস কম বা বেশি থাকলে
গ) অতিরিক্ত মালামাল বহন করলে
ঘ) উপরের সবগুলো

৯। মোবিলের কাজ কী?
ক) ইঞ্জিনের ঘূর্ণায়মান যন্ত্রাংশকে পিচ্ছিল করা
খ) যন্ত্রাংশের ক্ষয় রোধ করা
গ) ইঞ্জিন আংশিক ঠান্ডা রাখা
ঘ) উপরের সবগুলো

১০। পেট্রোল ইঞ্জিনে প্রতি সিলিন্ডারের জন্য স্পার্ক প্লাগ থাকে কয়টি?
ক) ১টি
খ) ২টি
গ) ৩টি
ঘ) ৪টি

১১। সাইলেন্সারের কাজ কী?
ক) শব্দ নিয়ন্ত্রণ করা
খ) ধোঁয়া নির্গমন করা
গ) বায়ু দূষণমুক্ত করা
ঘ) ইঞ্জিনে ঠান্ডা বাতাস ঢোকানো

১২। ইঞ্জিনের কুলিং সিস্টেমে কুলিং মিডিয়া হিসেবে সাধারণত কী ব্যবহৃত হয়?
ক) তেল
খ) গ্যাস
গ) পানি
ঘ) ডিজেল

Written Test

১৩। গিয়ার স্লিপ করার কারণ কী?
ক) গিয়ারের দাঁত ভাঙা থাকলে
খ) ক্লাচ ঠিকমতো কাজ না করলে
গ) গিয়ার ভালোভাবে সংযোগ না হলে
ঘ) উপরের সবগুলো

১৪। ফুয়েল লাইনে বাতাস প্রবেশের কারণে ফুয়েল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াকে কী বলে?
ক) এয়ার লক
খ) ভেপার লক
গ) অটো লক
ঘ) ইনটেক লক

১৫। স্পার্ক প্লাগ কোথায় থাকে?
ক) ডিজেল ইঞ্জিন ব্লকে
খ) পেট্রোল ইঞ্জিন সিলিন্ডার হেডে
গ) কার্বুরেটরের ভেতরে
ঘ) ডিস্ট্রিবিউটরের মধ্যে

১৬। ফুয়েল ও বাতাস নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে ইঞ্জিনে সরবরাহ করে—
ক) এয়ার ক্লিনার
খ) স্পার্ক প্লাগ
গ) কার্বুরেটর
ঘ) মিক্সার

১৭। রেডিয়েটরের কাজ কী?
ক) পানি ঠান্ডা করা
খ) রেডিও চালানো
গ) জয়েন্ট পার্টস
ঘ) কোনোটিই নয়

১৮। চলন্ত অবস্থায় ইঞ্জিন ওভারহিট হয়ে গেলে করণীয় কী?
ক) গাড়ি চালিয়ে যেতে হবে
খ) সুবিধাজনক স্থানে গাড়ি পার্ক করে ইঞ্জিন ঠান্ডা হতে দিতে হবে
গ) গাড়ি ব্রেক করতে হবে
ঘ) আস্তে আস্তে এগিয়ে যেতে হবে

১৯। ইঞ্জিনের অয়েলের মেয়াদ শেষ হলে নতুন অয়েল প্রবেশ করানোর সাথে আর কী পরিবর্তন অবশ্যই প্রয়োজন?
ক) এয়ার ফিল্টার
খ) ইঞ্জিন অয়েল ফিল্টার
গ) গিয়ার অয়েল ফিল্টার
ঘ) ফুয়েল ফিল্টার

২০। ইঞ্জিনের মোবিল কত কিলোমিটার চালানোর পর বদল করা উচিত?
ক) ২,৫০০ কিলোমিটার
খ) ৪,০০০ কিলোমিটার
গ) ৮,০০০ কিলোমিটার
ঘ) প্রস্তুতকারক প্রদত্ত ম্যানুয়াল/হ্যান্ডবুক অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাইল/কিলোমিটার চালানোর পর

২১। গাড়িতে ব্যবহৃত ব্যাটারিতে ইলেকট্রোলাইটের লেভেল কমে গেলে কী ব্যবহার করতে হবে?
ক) নদীর পানি
খ) মিনারেল ওয়াটার
গ) ডিস্টিল্ড ওয়াটার
ঘ) সাগরের পানি

২২। হেড লাইট না জ্বললে প্রথমে কী চেক করতে হয়?
ক) নির্ধারিত ফিউজ
খ) নির্ধারিত লাইন
গ) ইঞ্জিন অয়েল
ঘ) সুইচ

২৩। টায়ার ফেটে গেলে গাড়ি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য—
ক) তাৎক্ষণিকভাবে ব্রেক প্রয়োগ করুন
খ) এক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিয়ে গাড়ি থামা পর্যন্ত স্টিয়ারিং ধরে রাখুন
গ) গিয়ার নিউট্রাল অবস্থায় রাখুন
ঘ) গাড়ি এক পাশে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করুন

২৪। লুব অয়েল কোথায় দিতে হয়?
ক) হেড কভারে
খ) ব্যাক কভারে
গ) জয়েন্ট পার্টসে
ঘ) ফুয়েল গেজে

২৫। ডিস্টিল্ড ওয়াটার কোথায় ঢালতে হয়?
ক) কার্বুরেটরে
খ) রেডিয়েটরে
গ) ব্যাটারিতে
ঘ) এয়ার ক্লিনারে

২৬। গাড়ির গিয়ার পরিবর্তনের সময় অবশ্যই—
ক) ব্রেক পেডাল চাপ দিতে হবে
খ) ক্লাচ পেডাল চাপ দিতে হবে
গ) এক্সিলারেটর পেডাল চাপ দিতে হবে
ঘ) গাড়ির গতি কমাতে হবে

২৭। মোটরসাইকেলের সর্বোচ্চ গতিবেগ কত?
ক) ৪০ মাইল/ঘন্টা
খ) ৭০ মাইল/ঘন্টা
গ) ৫০ মাইল/ঘন্টা
ঘ) ১১২ মাইল/ঘন্টা

২৮। গোল চক্রে গাড়ি চালানোর নিয়ম কোনটি?
ক) সুবিধামতো বের হয়ে যাওয়া
খ) ডান দিক থেকে আগত গাড়িকে প্রাধান্য দেওয়া
গ) বাম দিকের গাড়িকে আগে যেতে দেওয়া
ঘ) যেদিকে মোড় নেবেন সেদিকে সিগন্যাল দেওয়া

২৯। নীল রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?
ক) তথ্যমূলক সাইন
খ) বাধ্যতামূলক সাইন
গ) সতর্কতামূলক সাইন
ঘ) উপরের সবগুলো

৩০। ট্রাফিক সিগন্যাল বা সংকেত কয় প্রকার?
ক) ৩ প্রকার
খ) ৪ প্রকার
গ) ৫ প্রকার
ঘ) ২ প্রকার

৩১। সবুজ আয়তক্ষেত্রের ট্রাফিক সাইন ফলক কোনটি ?
ক) রাস্তার দিক নির্দেশনা
খ) সাধারণ তথ্য প্রদান করে
গ) বাধ্যতামূলক তথ্য
ঘ) সতর্কতামূলক তথ্য

৩২। গাড়ি চালানোর সময় ট্রাফিক সিগন্যালে হলুদ বাতি জ্বলতে দেখলে —
ক) দ্রুতগতিতে চালিয়ে যেতে হবে
খ) থামার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে
গ) গাড়ির স্টার্ট বন্ধ করতে হবে
ঘ) আস্তে আস্তে এগিয়ে যেতে হবে

৩৩। চলন্ত অবস্থায় গাড়ি থেকে অতিরিক্ত ধোঁয়া নির্গত হলে জরিমানা কত?
ক) ১০০ টাকা পর্যন্ত
খ) ২০০ টাকা পর্যন্ত
গ) ৩০০ টাকা পর্যন্ত
ঘ) ৪০০ টাকা পর্যন্ত

৩৪। নিষিদ্ধ হর্ন কিংবা শব্দ উতপাদনকারী যন্র লাগতল ও ব্যবহার করলে কত টাকা জরিমানা ?
ক) ১০০ টাকা পর্যন্ত
খ) ২০০ টাকা পর্যন্ত
গ) ৩০০ টাকা পর্যন্ত
ঘ) ৪০০ টাকা পর্যন্ত

৩৫। অনুমোদিত ওজন অতিক্রম করে গাড়ি চালালে জরিমানা কত?
ক) ৫০০ টাকা পর্যন্ত
খ) ১০০০ টাকা পর্যন্ত
গ) ২০০০ টাকা পর্যন্ত
ঘ) ৩০০০ টাকা পর্যন্ত

৩৬। প্রকাশ্য সড়ক বা স্থানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে জরিমানা কত টাকা ?
ক) ৫০০ টাকা পর্যন্ত
খ) ১০০০ টাকা পর্যন্ত
গ) ২০০০ টাকা পর্যন্ত
ঘ) ৩০০০ টাকা পর্যন্ত

৩৭। ইনস্যুরেন্সবিহীন অবস্থায় গাড়ি চালানোর শাস্তি কী?
ক) ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
খ) ২০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
গ) ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
ঘ) ১৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা

📘  সংক্ষিপ্ত  প্রশ্নোত্তর 

  1. প্রশ্ন : মোটরযান কাকে বলে ?
    উত্তর : মোটরযান আইনে মোটরযান অর্থ কোনো যান্ত্রিক চালিত যান, যার চালিকাশক্তি বাইরের বা ভিতরের কোনো উৎস হতে সরবরাহ হয়।

  2. প্রশ্ন : গাড়ি চালনাকালে কী কী কাগজপত্র গাড়ির সঙ্গে রাখতে হয় ?
    উত্তর : ক. ড্রাইভিং লাইসেন্স, খ. রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ব্লু-বুক), গ. ট্যাক্স টোকেন, ঘ. ইন্স্যুরেন্স সার্টিফিকেট, ঙ. ফিটনেস সার্টিফিকেট (মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়) এবং চ. রুট পারমিট (মোটরসাইকেল ও চালক ব্যতীত সর্বোচ্চ ৭ আসন বিশিষ্ট ব্যক্তিগত যানবাহনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)।


  3. প্রশ্ন : গাড়ি চালনার আগে করণীয় কাজ কী কী ?
    উত্তর :
    ক. গাড়িতে জ্বালানি আছে কিনা পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
    খ. রেডিয়েটর ও ব্যাটারিতে পানি আছে কিনা পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
    গ. ব্যাটারি কানেকশন পরীক্ষা করা।
    ঘ. লুব/ইঞ্জিন অয়েলের লেভেল ও গুণগত মান পরীক্ষা করা, কম থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
    ঙ. মাস্টার সিলিন্ডারের ব্রেক ফ্লুইড ও ব্রেক অয়েল পরীক্ষা করা, কম থাকলে নেওয়া।
    চ. গাড়ির ইঞ্জিন, লাইটিং সিস্টেম, ব্যাটারি, স্টিয়ারিং ইত্যাদি সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা এবং নাট-বল্টু টাইট আছে কিনা পরীক্ষা করা।
    ছ. ব্রেক ও ক্লাচের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা।
    জ. অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও ফার্স্ট এইড বক্স গাড়িতে রাখা।
    ঝ. গাড়ির বাইরের ও ভিতরের বাতি, চাকা (টায়ারের কন্ডিশন/হাওয়া/নাট/এলাইমেন্ট/রোটেশন/স্পেয়ার চাকা) পরীক্ষা করা।


  4. প্রশ্ন : সার্ভিসিং বলতে কী বোঝায় এবং গাড়ি সার্ভিসিংয়ে কী কী কাজ করা হয় ?
    উত্তর : মোটরযানের ইঞ্জিন ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশের কার্যক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর যে কাজগুলো করা হয়, তাকে সার্ভিসিং বলে। গাড়ি সার্ভিসিংয়ে করণীয় কাজ :
    ক. ইঞ্জিনের পুরাতন লুবঅয়েল ফেলে দিয়ে নতুন লুবঅয়েল দেওয়া, নতুন লুবঅয়েল দেওয়ার আগে ফ্লাশিং অয়েল দ্বারা ফ্লাশ করা।
    খ. ইঞ্জিন ও রেডিয়েটরের পানি ড্রেন আউট করে ডিটারজেন্ট ও ফ্লাশিং গান দিয়ে পরিষ্কার করে পরিষ্কার পানি দেওয়া।
    গ. ভারী মোটরযানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গ্রিজিং পয়েন্টে গ্রিজ দেওয়া।
    ঘ. গাড়ির স্পেয়ার হুইলসহ প্রতিটি চাকায় পরিমাণমতো হাওয়া দেওয়া।
    ঙ. লুবঅয়েল ফিল্টার, ফুয়েল ফিল্টার ও এয়ার ক্লিনার পরিবর্তন করা।


  5. প্রশ্ন : রাস্তায় গাড়ির কাগজপত্র কে কে দেখতে পারে ?
    উত্তর : সার্জেন্ট বা সাব-ইন্সপেক্টরের নিচে নয় এমন পুলিশ কর্মকর্তা, মোটরযান পরিদর্শকসহ বিআরটিএ কর্মকর্তা এবং মোবাইল কোর্টের কর্মকর্তা।


  6. প্রশ্ন : মোটরসাইকেলে হেলমেট পরিধান ও আরোহী বহন সম্পর্কে আইন কী ?
    উত্তর : মোটরসাইকেলে চালক ব্যতীত ১ জন আরোহী বহন করা যাবে এবং উভয়কেই হেলমেট পরিধান করতে হবে (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১০০)।


  7. প্রশ্ন : সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ কী কী ?
    উত্তর : ক. অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস, খ. মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, গ. অনিয়ন্ত্রিত ওভারটেকিং এবং ঘ. অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন।


  8. প্রশ্ন : দুর্ঘটনায় পতিত হলে চালকের করণীয় কী ?
    উত্তর : আহত ব্যক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনে নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করা এবং ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিকটবর্তী থানায় দুর্ঘটনার বিষয়ে রিপোর্ট করা।


  9. প্রশ্ন : আইন অনুযায়ী গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা কত ?
    উত্তর : হালকা মোটরযান ও মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭০ কিমি, মাঝারি বা ভারী যাত্রীবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৫ কিমি এবং মাঝারি বা ভারী মালবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০ কিমি।


  10. প্রশ্ন : মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কী ?
    উত্তর : সর্বসাধারণের ব্যবহারযোগ্য স্থানে মোটরযান চালানোর জন্য লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত বৈধ দলিলই মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স।


  11. প্রশ্ন : অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে ?
    উত্তর : যে লাইসেন্স দ্বারা একজন চালক কোনো বেতনভুক্ত কর্মচারী না হয়ে মোটরসাইকেল, হালকা মোটরযান এবং অন্যান্য মোটরযান (পাবলিক যানবাহন ব্যতীত) চালাতে পারে, তাকে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলে।


  12. প্রশ্ন : ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স কত ?
    উত্তর : পেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ২০ বছর এবং অপেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ১৮ বছর।


  13. প্রশ্ন : কোন কোন ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে ?
    উত্তর : মৃগীরোগী, উন্মাদ বা পাগল, রাতকানা রোগী, কুষ্ঠরোগী, হৃদরোগী, অতিরিক্ত মদ্যপ ব্যক্তি, বধির ব্যক্তি এবং বাহু বা পা চালাচলে অক্ষম ব্যক্তি।


  14. প্রশ্ন : হালকা মোটরযান কাকে বলে ?
    উত্তর : যে মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত ওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭ কেজির অধিক নয়, তাকে হালকা মোটরযান বলে।


  15. প্রশ্ন : মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান কাকে বলে ?
    উত্তর : যে মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত ওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭ কেজির অধিক কিন্তু ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক নয়, তাকে মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান বলে।


  16. প্রশ্ন : ভারী মোটরযান কাকে বলে ?
    উত্তর : যে মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত ওজন ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক, তাকে ভারী মোটরযান বলে।


  17. প্রশ্ন : প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান (Private Service Vehicle) কাকে বলে ?
    উত্তর : ড্রাইভার ব্যতীত আটজনের বেশি যাত্রী বহনের উপযোগী যে মোটরযান মালিকের পক্ষে তার ব্যবসা সম্পর্কিত কাজে এবং ভাড়া ব্যতীত যাত্রী বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান বলে।


  18. প্রশ্ন : ট্রাফিক সাইন বা রোড সাইন (চিহ্ন) প্রধানত কয় প্রকার ও কী কী ?
    উত্তর : ট্রাফিক সাইন বা চিহ্ন প্রধানত তিন প্রকার—
    ক. বাধ্যতামূলক, যা প্রধানত বৃত্তাকার।
    খ. সতর্কতামূলক, যা প্রধানত ত্রিভুজাকার।
    গ. তথ্যবাহী, যা প্রধানত আয়তাকার।


  19. প্রশ্ন : লাল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদান করে ?
    উত্তর : নিষেধ বা করা যাবে না—এমন নির্দেশনা প্রদান করে।


  20. প্রশ্ন : নীল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদান করে ?
    উত্তর : করতেই হবে বা অবশ্য পালনীয় নির্দেশনা প্রদান করে।


  21. প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজাকার ট্রাফিক সাইন কী নির্দেশনা প্রদান করে ?
    উত্তর : সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা প্রদান করে।


  22. প্রশ্ন : নীল রঙের আয়তাকার কোন ধরনের সাইন ?
    উত্তর : সাধারণ তথ্যবাহী সাইন।


  23. প্রশ্ন : সবুজ রঙের আয়তাকার কোন ধরনের সাইন ?
    উত্তর : নির্দেশক তথ্যবাহী সাইন, যা জাতীয় মহাসড়কে ব্যবহৃত হয়।


  24. প্রশ্ন : কালো বর্ডারযুক্ত সাদা রঙের আয়তাকার কোন ধরনের সাইন ?
    উত্তর : এটি নির্দেশক তথ্যবাহী সাইন, যা মহাসড়ক ব্যতীত অন্যান্য সড়কে ব্যবহৃত হয়।


  25. প্রশ্ন : ট্রাফিক সিগন্যাল বা সংকেত কত প্রকার ও কী কী ?
    উত্তর : ৩ (তিন) প্রকার। যেমন—
    ক. হাত সংকেত
    খ. আলো সংকেত
    গ. শব্দ সংকেত


  26. প্রশ্ন : ট্রাফিক লাইট সিগন্যালের চক্র বা অনুক্রম (Sequence) গুলি কী কী ?
    উত্তর : লাল–সবুজ–হলুদ এবং পুনরায় লাল।


  27. প্রশ্ন : লাল, সবুজ ও হলুদ বাতি কী নির্দেশনা প্রদান করে ?
    উত্তর : লাল বাতি জ্বললে গাড়িকে ‘স্টপ লাইনের’ পিছনে থামিয়ে অপেক্ষা করতে হবে, সবুজ বাতি জ্বললে গাড়ি নিয়ে অগ্রসর হওয়া যাবে এবং হলুদ বাতি জ্বললে গাড়িকে থামানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।


  28. প্রশ্ন : নিরাপদ দূরত্ব বলতে কী বোঝায় ?
    উত্তর : সামনের গাড়ির সাথে সংঘর্ষ এড়াতে পিছনের গাড়িকে নিরাপদে থামানোর জন্য যে পরিমাণ দূরত্ব বজায় রেখে গাড়ি চালাতে হয়, সেই পরিমাণ দূরত্বকে নিরাপদ দূরত্ব বলে।


  29. প্রশ্ন : পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চললে নিরাপদ দূরত্ব কত হবে ?
    উত্তর : ২৫ মিটার।


  30. প্রশ্ন : পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ মাইল গতিতে গাড়ি চললে নিরাপদ দূরত্ব কত হবে ?
    উত্তর : ৫০ গজ বা ১৫০ ফুট।


  31. প্রশ্ন : লাল বৃত্তে ৫০ কিমি লেখা থাকলে কী বোঝায় ?
    উত্তর : গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কিমি। অর্থাৎ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না।


  32. প্রশ্ন : নীল বৃত্তে ঘণ্টায় ৫০ কিমি লেখা থাকলে কী বোঝায় ?
    উত্তর : সর্বনিম্ন গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কিমি। অর্থাৎ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারের কম গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না।


  33. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের মধ্যে হর্ন আঁকা থাকলে কী বোঝায় ?
    উত্তর : হর্ন বাজানো নিষেধ।


  34. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের ভিতরে একটি বড় বাসের ছবি থাকলে কী বোঝায় ?
    উত্তর : বড় বাস প্রবেশ নিষেধ।


  35. প্রশ্ন : লাল বৃত্তে একজন চলমান মানুষের ছবি আঁকা থাকলে কী বোঝায় ?
    উত্তর : পথচারী পারাপার নিষেধ।


  36. প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজে একজন চলমান মানুষের ছবি আঁকা থাকলে কী বোঝায় ?
    উত্তর : সামনে পথচারী পারাপার, তাই সাবধান হতে হবে।


  37. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের ভিতরে একটি লাল ও একটি কালো গাড়ি থাকলে কী বোঝায় ?
    উত্তর : ওভারটেকিং নিষেধ।


  38. প্রশ্ন : আয়তক্ষেত্রে ‘P’ লেখা থাকলে কী বোঝায় ?
    উত্তর : পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান।


  39. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে গাড়ির হর্ন বাজানো নিষেধ ?
    উত্তর : নীরব এলাকায় গাড়ির হর্ন বাজানো নিষেধ। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস–আদালত বা অনুরূপ প্রতিষ্ঠানসমূহের চারপাশে ১০০ মিটার পর্যন্ত এলাকা নীরব এলাকা হিসেবে চিহ্নিত।


  40. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে ওভারটেক করা নিষেধ ?
    উত্তর :
    ক. ওভারটেকিং নিষেধ সংবলিত সাইন থাকা স্থানে
    খ. জাংশনে
    গ. ব্রিজ/কালভার্ট ও তার আগে–পরে নির্দিষ্ট দূরত্বে
    ঘ. সরু রাস্তায়
    ঙ. হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায়


  41. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে গাড়ি পার্কিং করা নিষেধ ?
    উত্তর :
    ক. যেখানে পার্কিং নিষেধ বোর্ড আছে
    খ. জাংশনে
    গ. ব্রিজ/কালভার্টের উপর
    ঘ. সরু রাস্তায়
    ঙ. হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায়
    চ. পাহাড়ের ঢালে ও ঢালু রাস্তায়
    ছ. ফুটপাত, পথচারী পারাপার ও তার আশেপাশে
    জ. বাস স্টপেজ ও তার আশেপাশে
    ঝ. রেলক্রসিং ও তার আশেপাশে


  42. প্রশ্ন : গাড়ি রাস্তার কোন পাশ দিয়ে চলাচল করবে ?
    উত্তর : গাড়ি রাস্তার বাম পাশ দিয়ে চলাচল করবে। যে রাস্তায় একাধিক লেন থাকে সেখানে বাম পাশের লেনে ধীর গতির গাড়ি এবং ডান পাশের লেনে দ্রুত গতির গাড়ি চলাচল করবে।


  43. প্রশ্ন : কখন বাম দিক দিয়ে ওভারটেক করা যায় ?
    উত্তর : যখন সামনের গাড়ির চালক ডান দিকে মোড় নেওয়ার ইচ্ছায় যথাযথ সংকেত দিয়ে রাস্তার মাঝামাঝি স্থানে যেতে থাকেন, তখনই পিছনের গাড়ির চালক বাম দিক দিয়ে ওভারটেক করবেন।


  44. প্রশ্ন : চলন্ত অবস্থায় সামনের গাড়িকে অনুসরণ করার সময় কী কী বিষয় লক্ষ্য রাখা উচিত ?
    উত্তর :
    ক. সামনের গাড়ির গতি ও গতিবিধি
    খ. সামনের গাড়ি থামার সংকেত দিচ্ছে কি না
    গ. সামনের গাড়ি ডানে/বামে ঘোরার সংকেত দিচ্ছে কি না
    ঘ. সামনের গাড়ি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় আছে কি না


  45. প্রশ্ন : রাস্তার পাশে সতর্কতামূলক ‘স্কুল/শিশু’ সাইন বোর্ড থাকলে চালকের করণীয় কী ?
    উত্তর :
    ক. গাড়ির গতি কমিয়ে রাস্তার দু’পাশ ভালোভাবে দেখে–শুনে সতর্কতার সাথে অগ্রসর হতে হবে
    খ. রাস্তা পারাপারের অপেক্ষায় কোনো শিশু থাকলে তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে


  46. প্রশ্ন : গাড়ির গতি কমানোর জন্য চালক হাত দিয়ে কীভাবে সংকেত দেবেন ?
    উত্তর : চালক তার ডান হাত গাড়ির জানালা দিয়ে সোজাসুজি বের করে ধীরে ধীরে উপর–নিচে ওঠানামা করাতে থাকবেন।


  47. প্রশ্ন : লেভেল ক্রসিং বা রেল ক্রসিং কত প্রকার ও কী কী ?
    উত্তর : লেভেল ক্রসিং বা রেল ক্রসিং ২ প্রকার—
    ক. রক্ষিত রেল ক্রসিং বা পাহারাদার নিয়ন্ত্রিত রেল ক্রসিং
    খ. অরক্ষিত রেল ক্রসিং বা পাহারাদারবিহীন রেল ক্রসিং


  48. প্রশ্ন : রক্ষিত লেভেল ক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?
    উত্তর : গাড়ির গতি কমিয়ে সতর্কতার সাথে সামনে এগোতে হবে। যদি রাস্তা বন্ধ থাকে তবে গাড়ি থামাতে হবে, আর খোলা থাকলে ডান–বামে ভালোভাবে দেখে অতিক্রম করতে হবে।


  49. প্রশ্ন : অরক্ষিত লেভেল ক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?
    উত্তর : গাড়ির গতি একদম কমিয়ে সতর্কতার সাথে সামনে এগোতে হবে, প্রয়োজনে রেল ক্রসিংয়ের নিকট থামাতে হবে। এরপর ডান–বামে দেখে নিরাপদ মনে হলে অতিক্রম করতে হবে।


  50. প্রশ্ন : বিমানবন্দরের কাছে চালককে সতর্ক থাকতে হবে কেন ?
    উত্তর :
    ক. বিমানের প্রচণ্ড শব্দে গাড়ির চালক হঠাৎ বিচলিত হতে পারেন
    খ. সাধারণ শ্রবণ ক্ষমতার ব্যাঘাত ঘটতে পারে
    গ. বিমানবন্দরে ভিআইপি/ভিভিআইপি বেশি চলাচল করে বিধায় এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়


  51. প্রশ্ন : মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীর হেলমেট ব্যবহার করা উচিত কেন ?
    উত্তর : মানুষের মাথা শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এখানে সামান্য আঘাত লাগলেই মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে। তাই দুর্ঘটনায় মানুষের মাথাকে রক্ষা করার জন্য হেলমেট ব্যবহার করা উচিত।


  52. প্রশ্ন : গাড়ির পিছনের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য কতক্ষণ পর পর লুকিং গ্লাস দেখতে হবে ?
    উত্তর : প্রতি মিনিটে ৬ থেকে ৮ বার।


  53. প্রশ্ন : পাহাড়ি রাস্তায় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় ?
    উত্তর : সামনের গাড়ি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ১ নং গিয়ারে বা ফার্স্ট গিয়ারে সতর্কতার সাথে ধীরে ধীরে উপরে উঠতে হবে। পাহাড়ের চূড়ার কাছে গিয়ে আরো ধীরে উঠতে হবে, কারণ চূড়ায় দৃষ্টিসীমা অত্যন্ত সীমিত। নিচে নামার সময় গাড়ির গতি ক্রমে বেড়ে থাকে বিধায় সামনের গাড়ি থেকে বেশি দূরত্ব বজায় রেখে নামতে হবে। ওঠা–নামার সময় কোনো অবস্থাতেই ওভারটেক করা যাবে না।


  54. প্রশ্ন : বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালানোর বিষয়ে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় ?
    উত্তর : বৃষ্টির সময় রাস্তা পিচ্ছিল থাকায় ব্রেক কম কাজ করে। এ কারণে অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে ধীর গতিতে (সাধারণ গতির চেয়ে অর্ধেক গতিতে) গাড়ি চালাতে হবে, যাতে ব্রেক প্রয়োগ করে সহজেই গাড়ি থামানো যায় বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।


  55. প্রশ্ন : ব্রিজে ওঠার পূর্বে একজন চালকের করণীয় কী ?
    উত্তর : ব্রিজ বিশেষ করে উঁচু ব্রিজের অপর প্রান্ত থেকে আগত গাড়ি সহজে দৃষ্টিগোচর হয় না বিধায় ব্রিজে ওঠার পূর্বে সতর্কতার সাথে গাড়ির গতি কমিয়ে উঠতে হবে। তাছাড়া, রাস্তার তুলনায় ব্রিজের প্রস্থ অনেক কম হয় বিধায় ব্রিজে কখনো ওভারটেক করা যাবে না।


  56. প্রশ্ন : পার্শ্ব রাস্তা থেকে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করার সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় ?
    উত্তর : পার্শ্ব রাস্তা বা ছোট রাস্তা থেকে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করার আগে গাড়ির গতি কমিয়ে, প্রয়োজনে থামিয়ে, প্রধান রাস্তার গাড়িকে নির্বিঘ্নে আগে যেতে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রধান সড়কের গাড়ির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে সুযোগমতো সতর্কতার সাথে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করতে হবে।


  57. প্রশ্ন : রাস্তার উপর প্রধানত কী কী ধরনের রোড মার্কিং আঁকা থাকে ?
    উত্তর : রাস্তার উপর প্রধানত ৩ ধরনের রোড মার্কিং আঁকা থাকে—
    ক. ভাঙা লাইন, যা অতিক্রম করা যায়
    খ. একক অবিচ্ছিন্ন লাইন, যা অতিক্রম করা নিষেধ, তবে প্রয়োজনবিশেষে অতিক্রম করা যায়
    গ. দ্বৈত অবিচ্ছিন্ন লাইন, যা অতিক্রম করা নিষেধ এবং আইনত দণ্ডনীয়। এই ধরনের লাইন দিয়ে ট্রাফিক আইল্যান্ড বা রাস্তার বিভাজক বোঝায়


  58. প্রশ্ন : জেব্রা ক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?
    উত্তর : জেব্রা ক্রসিংয়ে পথচারীদের অবশ্যই আগে যেতে দিতে হবে এবং পথচারী যখন জেব্রা ক্রসিং দিয়ে পারাপার হবে তখন গাড়িকে অবশ্যই তার আগে থামাতে হবে। জেব্রা ক্রসিংয়ের উপর গাড়ি থামানো যাবে না বা রাখা যাবে না।


  59. প্রশ্ন : কোন কোন গাড়িকে ওভারটেক করার সুযোগ দিতে হবে ?
    উত্তর : যে গাড়ির গতি বেশি, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ইত্যাদি জরুরি সার্ভিস, ভিআইপি গাড়ি ইত্যাদি।


  60. প্রশ্ন : হেড লাইট ফ্ল্যাশিং বা আপার–ডিপার ব্যবহারের নিয়ম কী ?
    উত্তর : শহরের মধ্যে সাধারণত লো–বিম বা ডিপার বা মৃদু বিম ব্যবহার করা হয়। রাতে কাছাকাছি গাড়ি না থাকলে অর্থাৎ বেশি দূর পর্যন্ত দেখার জন্য হাইওয়ে ও শহরের বাইরের রাস্তায় হাই–বিম বা আপার বিম ব্যবহার করা হয়। তবে বিপরীত দিক থেকে আগত গাড়ি ১৫০ মিটারের মধ্যে চলে আসলে হাই বিম নিভিয়ে লো–বিম জ্বালাতে হবে। অর্থাৎ বিপরীত দিক থেকে আগত কোনো গাড়িকে পাশ কাটানোর সময় লো–বিম জ্বালাতে হবে।
0%
0 votes, 0 avg
0
Created by Job Edu BD

Driving Level-3, Vol-03

এই পরীক্ষাটি শুধুমাত্র Level পরীক্ষায় নিজেকে ভালো নম্বরে উর্ত্তীন করার চেষ্টা মাত্র। এখানে ভালো নম্বর পাওয়ার দ্বারা আপনার আত্নবিশ্বাস উন্নয়নে কাজ করবে। পরীক্ষা খারাপ হলে প্রশ্নোত্তর গুলো পূনরায় পড়ে আবার চেষ্টা করার অনুরোধ রইল।

1 / 37

1. ১৭। রেডিয়েটরের কাজ কী?

2 / 37

2. ১৮। চলন্ত অবস্থায় ইঞ্জিন ওভারহিট হয়ে গেলে করণীয় কী?

3 / 37

3. ৩৭। ইনস্যুরেন্সবিহীন অবস্থায় গাড়ি চালানোর শাস্তি কী?

4 / 37

4. ৩। গাড়ি স্টার্ট না হওয়ার কারণ কী?

5 / 37

5. ২৫। ডিস্টিল্ড ওয়াটার কোথায় ঢালতে হয়?

6 / 37

6. ১০। পেট্রোল ইঞ্জিনে প্রতি সিলিন্ডারের জন্য স্পার্ক প্লাগ থাকে কয়টি?

7 / 37

7. ৮। টায়ার অতিরিক্ত ক্ষয় হয় কেন?

8 / 37

8. ৭। এয়ার ক্লিনারের কাজ—

9 / 37

9. ২৩। টায়ার ফেটে গেলে গাড়ি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য—

10 / 37

10. ১১। সাইলেন্সারের কাজ কী?

11 / 37

11. ১৬। ফুয়েল ও বাতাস নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে ইঞ্জিনে সরবরাহ করে—

12 / 37

12. ৩০। ট্রাফিক সিগন্যাল বা সংকেত কয় প্রকার?

13 / 37

13. ২। টেম্পারেচার মিটারে ইঞ্জিনের কী নির্দেশ করে?

14 / 37

14. ৪। ব্রেক মাস্টার সিলিন্ডারে ব্রেক অয়েলের লেভেল কম থাকলে কী হতে পারে?

15 / 37

15. ১৯। ইঞ্জিনের অয়েলের মেয়াদ শেষ হলে নতুন অয়েল প্রবেশ করানোর সাথে আর কী পরিবর্তন অবশ্যই প্রয়োজন?

16 / 37

16. ৬। ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হওয়ার কারণ—

17 / 37

17. ২৮। গোল চক্রে গাড়ি চালানোর নিয়ম কোনটি?

18 / 37

18. ১৫। স্পার্ক প্লাগ কোথায় থাকে?

19 / 37

19. ২০। ইঞ্জিনের মোবিল কত কিলোমিটার চালানোর পর বদল করা উচিত?

20 / 37

20. ১। কুলিং ফ্যানের কাজ কী?

21 / 37

21. ১৪। ফুয়েল লাইনে বাতাস প্রবেশের কারণে ফুয়েল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াকে কী বলে?

22 / 37

22. ২৬। গাড়ির গিয়ার পরিবর্তনের সময় অবশ্যই—

23 / 37

23. ২৯। নীল রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?

24 / 37

24. ৩১। সবুজ আয়তক্ষেত্রের ট্রাফিক সাইন ফলক কোনটি ?

25 / 37

25. ৩২। গাড়ি চালানোর সময় ট্রাফিক সিগন্যালে হলুদ বাতি জ্বলতে দেখলে —

26 / 37

26. ৩৩। চলন্ত অবস্থায় গাড়ি থেকে অতিরিক্ত ধোঁয়া নির্গত হলে জরিমানা কত?

27 / 37

27. ২৭। মোটরসাইকেলের সর্বোচ্চ গতিবেগ কত?

28 / 37

28. ২২। হেড লাইট না জ্বললে প্রথমে কী চেক করতে হয়?

29 / 37

29. ২১। গাড়িতে ব্যবহৃত ব্যাটারিতে ইলেকট্রোলাইটের লেভেল কমে গেলে কী ব্যবহার করতে হবে?

30 / 37

30. ৯। মোবিলের কাজ কী?

31 / 37

31. ২৪। লুব অয়েল কোথায় দিতে হয়?

32 / 37

32. ৩৬। প্রকাশ্য সড়ক বা স্থানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে জরিমানা কত টাকা ?

33 / 37

33. ৫। ক্লাচের কাজ কী?

34 / 37

34. ১২। ইঞ্জিনের কুলিং সিস্টেমে কুলিং মিডিয়া হিসেবে সাধারণত কী ব্যবহৃত হয়?

35 / 37

35. ৩৫। অনুমোদিত ওজন অতিক্রম করে গাড়ি চালালে জরিমানা কত?

36 / 37

36. ১৩। গিয়ার স্লিপ করার কারণ কী?

37 / 37

37. ৩৪। নিষিদ্ধ হর্ন কিংবা শব্দ উতপাদনকারী যন্র লাগতল ও ব্যবহার করলে কত টাকা জরিমানা ?

0%

Thankyou for connecting us.

“You will pass just by asking the mentioned questions, it’s not like that at all, but chances are up to 80% to get common. This is just a suggestion. This question is not copied from any board question”
Post review

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি, বিশেষ করে বর্তমান যুগে যেখানে কর্মসংস্থান, শিল্প ও প্রযুক্তি নির্ভর উন্নয়ন সবচেয়ে বড় চাহিদা। নিচে এর কয়েকটি প্রধান গুরুত্ব তুলে ধরা হলোঃ

. কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি

  • কারিগরি শিক্ষা সরাসরি হাতে-কলমে কাজ শেখায়।
  • দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে সহজে চাকরি পাওয়া যায় বা উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

. দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা

  • দক্ষ মানুষ কর্মক্ষেত্রে সহজে আয় করতে পারে।
  • পরিবার ও সমাজের আর্থিক উন্নয়ন সম্ভব হয়।

. শিল্প প্রযুক্তির বিকাশ

  • কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত জনশক্তি শিল্প খাতকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
  • নতুন প্রযুক্তি সহজে ব্যবহার ও উন্নয়ন সম্ভব হয়।

. স্বনির্ভরতা অর্জন

  • কারিগরি শিক্ষা মানুষকে শুধু চাকরির জন্য নয়, বরং ব্যবসা-বাণিজ্য বা ছোট উদ্যোগ গড়ার ক্ষমতা দেয়।
  • বিদেশে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে কাজ করার সুযোগ বাড়ে।

. জাতীয় উন্নয়ন

  • একটি দেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষিত জনশক্তি অপরিহার্য।
  • দক্ষ জনশক্তি বিদেশে কাজ করে রেমিট্যান্স বাড়ায়।

👉 সংক্ষেপে, কারিগরি শিক্ষা ব্যক্তিগত, সামাজিক জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি

Computer Operation Level-3 Suggestion V-12 (Special) is not a question for the NSDA or BTEB board, but our computer and CBTA experts believe that with such preparation, there is a possibility of scoring 100% in the Driving Level-3 Suggestion V-01 NSDA/BRTA/BTEB

Computer Operation, Graphic Design, 2D 3D CAD, WSMO, TDM, Pattern Making, EIM, Electrical, Consumer Electronics, PLC, Automotive Mechanics, Plumbing, Welding, RAC, Digital Marketing, Masonry, Driving Level-3 Suggestion V-01 NSDA/BRTA/BTEB

Job Edu BD Avatar