Smart Men’s Care কম সময়, ৩ টোটকা, দারুণ ত্বক
Smart Men’s Care Less time, 3 tips, great skin by Job Edu BD
Smart Men’s Care কম সময়, ৩ টোটকা, দারুণ ত্বক
ত্বকের যত্নের ক্ষেত্রে পুরুষদের অবহেলা প্রশ্নাতীত। তবে এই অচলায়তন ধীর গতিতে হলেও ভাঙছে, পুরুষরা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজের প্রতি আরও যত্নবান হয়ে উঠছেন। ফলে ত্বকের যত্ন নিতে আগ্রহী হচ্ছেন পুরুষরাও।
পুরুষদের ত্বক সাধারণত তৈলাক্ত এবং শক্ত হয় এবং এটি প্রতিনিয়ত দূষণ এবং সূর্যালোকের মতো বাহ্যিক কারণগুলির সংস্পর্শে আসে। সঙ্গে যোগ হয় পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, মানসিক চাপ এবং খারাপ খাদ্যাভ্যাস। তৈলাক্ত, শুষ্ক, স্বাভাবিক, সংবেদনশীল বা সংমিশ্রিত, যে কোনও ধরনের ত্বকেরই প্রয়োজন যত্নের।
ক্লিনজিং 🧼✨
দূষণ এবং তেল প্রতিরোধের জন্য এটি সবচেয়ে প্রয়োজনীয়। সহজে বললে, ত্বকের যত্নের প্রথম ধাপ হল ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা। দিনে দু’বার, সকালে এক বার এবং রাতে এক বার ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললেই ময়লা দূর হয়ে যায় অনেককাংশে। ত্বকের চরিত্রের উপর ভিত্তি করে ঠিক ক্লিনজার বেছে নিতে পারলে তা ত্বকের ছিদ্রগুলিকে বন্ধ করতে এবং ব্রণ প্রতিরোধে সহায়তা করে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সাধারণত এএইচএ-বিএইচএ ফেসওয়াশ সুপারিশ করা হয়।
আর্দ্রতা রক্ষা 💧🌿
পুরুষদের ত্বক সারাদিন ধরেই অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়। বায়ু দূষণ, সিগারেটের ধোঁয়া কিংবা অতিবেগুনি রশ্মির মতো নানা কারণে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। ফলত ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি ময়েশ্চারাইজারের আগে কোনও সক্রিয় উপাদান-সহ একটি সিরাম ব্যবহার করলে তা ত্বক মেরামতে সহায়তা করে। অতিরিক্ত ময়েশ্চারাইজ করার পরিবর্তে, হাইড্রেট করুন এবং ত্বকের প্রতিরক্ষামূলক আস্তরণ বজায় রাখুন। তবে সিরামটি বেছে নিতে হবে নিজের ত্বকের সমস্যা অনুযায়ী।
প্রতিরক্ষা 🛡️🔒
প্রতিদিন সকালে বাইরে যাওয়ার আগে ত্বকের যত্নের রুটিনের অংশ হিসাবে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। এটি ত্বকের যত্নের চূড়ান্ত ধাপ। চটচট করে না এমন জেল-ভিত্তিক সানস্ক্রিনগুলি দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য বেশ উপযোগী। ভুলে গেলে চলবে না যে বাইরে না গেলেও নিয়মিত সানস্ক্রিন লাগাতে হবে। কম্পিউটার বা মোবাইলের পর্দা থেকে যে অতিবেগুনি রশ্মি নির্গত হয় তা থেকেও এটি ত্বককে রক্ষা করে। তবে আপনি যদি ক্রমাগত সূর্যের সংস্পর্শে বা রোদের মধ্যে থাকেন তবে আপনার প্রতি তিন ঘণ্টা অন্তর সানস্ক্রিন লাগাতে হবে।
ক্রমাগত দূষণ, ধোঁয়ার সংস্পর্শে এলে পুরুষরা তাদের উদ্বেগগুলি সমাধান করার জন্য একটি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সিরাম বা একটি পিগমেন্টেশন সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। সিরামের সামঞ্জস্যের উপর নির্ভর করে এটি হাইড্রেশনের আগে বা পরে ব্যবহার করা উচিত। যেমন সিরাম পাতলা হলে প্রথমে ব্যবহার করা হবে। তা ছাড়া, পুরুষদের সানস্ক্রিন লাগানোর আগে নন-স্টিকি, নন-কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।
page revew
ASSET Course Registration
Job Edu BD
জীবিকা ও জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্য.
পোষ্টটি শেয়ার করুন
Post review
Finding Your Post
শীতে ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক উপায়ে করনীয়-
বাংলাদেশ একটি নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুর দেশ। বছরের ছয় ঋতুর মধ্যে শীতকাল প্রকৃতির অন্যতম পরিবর্তনশীল ও বৈচিত্র্যময় সময়। এ সময় তাপমাত্রা কমে যায়, বাতাস শুষ্ক হয় এবং আর্দ্রতা হ্রাস পায়। এই মৌসুমি পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি পড়ে আমাদের ত্বকের ওপর। যাদের ত্বক সাধারণত স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত, তাদের ক্ষেত্রেও শীতের সময় দেখা দেয় শুষ্কতা, খসখসে ভাব ও ফাটার সমস্যা। আবার যাদের ত্বক আগে থেকেই সংবেদনশীল, তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
ত্বক আমাদের শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ, যা শুধু সৌন্দর্যের নয়, স্বাস্থ্যের প্রতিরক্ষাকবচ হিসেবেও কাজ করে। তাই শীতের মৌসুমে ত্বকের যত্ন নেওয়া একান্ত প্রয়োজন, যাতে ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা ও কোমলতা বজায় থাকে এবং সংক্রমণ বা অ্যালার্জি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
❄️ শীতকালে ত্বকের সাধারণ সমস্যা
শীতের মৌসুমে বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায় এবং ঠান্ডা বাতাসে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল দ্রুত হারিয়ে যায়। এর ফলে দেখা দেয় নানা সমস্যা—
- ত্বকের শুষ্কতা ও খসখসে ভাব: মুখ, ঠোঁট, হাত, পা ও গোড়ালিতে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।
- চুলকানি ও একজিমা: শুষ্ক ত্বকে মাইক্রো-ক্র্যাক তৈরি হয়, যা ব্যাকটেরিয়া প্রবেশে সহায়ক হয়।
- ঠোঁট ফাটা: ঠান্ডা বাতাস ও পানিশূন্যতার কারণে ঠোঁট ফেটে যায়।
- ত্বক রুক্ষ ও প্রাণহীন হয়ে যাওয়া: সূর্যের আলো কম পাওয়ায় ত্বকে উজ্জ্বলতা কমে যায়।
গ্রামীণ এলাকায় শীতের তীব্রতা শহরের তুলনায় বেশি, তাই গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ত্বক ফাটা, চুলকানি ও গোড়ালি ফাটার সমস্যা অনেক সাধারণ। বিস্তারিত
100% Trusted 7 Sites of Online Income
প্রত্যেকেরই মাসিক অনলাইন ইনকাম (Online Income) ১২০০ থেকে ১৫০০ ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশী টাকায় ৳ ১,৩২,০০০ হাজার থেকে ৳ ১,৬৫,০০০ টাকা। বলছি এই কন্টেন্টটি যাদের পরামর্শ এবং সহযোগীতায় তৈরী করা হয়েছে তাদের কথা। অনলাইন ইনকামের (Online Income) আশায় কোন রকমের চেষ্টাই বাকী রাখছেনা বর্তমান ছাত্র/ছাত্রী তরুন/তরুনী সবাই এর মধ্যে বাদ নেই গৃহিনীও। অনেক চেষ্টার ভিড়ে কিছু সফলতার গল্প আসলেও চেষ্টার তুলনায় সেটা খুবই কম। তারমধ্যে আবার রয়েছে ধোকাবাজীর ঘেরাকল, আজ আমরা জানাবো অনলাইন ইনকামের ১০০% সঠিক উপায়ান্ত। যার মাধ্যমে আপনার অর্জিত অর্থ কোনভাবেই নষ্ট হবে না ।
অনলাইন ইনকামের (Online Income) হাজারো পন্থা রয়েছে, এর মধ্যে সহজ থেকে সহজ এবং কঠিন পদ্ধতিও রয়েছে, একটা বিষয় নিশ্চয়ই বুঝবেন, একটা লোক দৈনিক ৮ ঘন্টা কাজ করে, অন্যজন দৈনিক ১২ ঘন্টা কাজ করে। আবার একাদশ শ্রেণীর ছাত্র/ছাত্রীদের গণিত শিক্ষাদানের জন্য নিশ্চয়ই মাধ্যমিক পাশ শিক্ষক নিয়োগ দিবেন না। যিনি দৈনিক ১২ ঘন্টা কাজ করবেন তিনি নি:সন্দেহে বেশি পরিশ্রমী, অন্যদিকে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র/ছাত্রীদের গণিত শিক্ষাদানের জন্য উপযুক্ত শিক্ষক নিয়োগ পাবেন। ব্যাপারটা অনেকটা এরকমই, নি:সন্দেহে আপনাকে প্রথম অবস্থায় বেশি পরিশ্রম এবং উপযুক্ত কাজটি খুজে নিতে হবে অর্থা আপনি কোন কাজে বেশি পারদর্শী সেটি নির্ণয় করতে হবে।
এই গ্যারান্টি কেউ দিতে পারবে না যে আপনি শুরুতেই লাখ লাখ টাকা অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন। তবে হ্যা, আপনার যদি ধৈর্য থাকে, এবং আপনি যদি একটি নির্দিষ্ট কাজে পারদর্শী হয়ে উঠতে পারেন, সেক্ষেত্রে অনলাইন থেকে অনেক বড় পরিমানের অর্থ আপনি ইনকাম করতে পারবেন। আমরা কিছু সহজ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে যাতে অনলাইন ইনকাম করতে পারেন, এছাড়াও দক্ষ এবং পরিশ্রমিদের জন্য বেশি ইনকামের পদ্ধতি সম্পর্কিত ৭টি ১০০% বিশ্বস্ত ওয়েব সাইট সম্পর্কে আলোচনা করব। বিস্তারিত




Leave a Reply