Written Test Driving Level-3 Suggestion V-o1 by Job Edu BD
Driving Level-3 Suggestion V-01 is not a question for the NSDA or BTEB board, but our driving and CBTA experts believe that with such preparation, there is a possibility of scoring 100% in the Driving Level-3 Assessment written test.
সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দিন
১. ফুয়েল লাইনে বাতাস প্রবেশের কারণে ফুয়েল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াকে কী বলে?
ক) অটো লক
খ) ভেপার লক
গ) এয়ার লক
ঘ) এন্ট্রি লক
২. গিয়ার স্লিপ করার কারণ কী?
ক) গিয়ারের দাঁত ভাঙা থাকলে
খ) ক্লাচ ঠিকমতো কাজ না করলে
গ) গিয়ার ভালোভাবে সংযোগ না হলে
ঘ) উপরের সবগুলো
৩. অটোমোবাইল গাড়িতে ব্যাটারিকে চার্জ করে—
ক) মোটর
খ) অল্টারনেটর
গ) টারবাইন
ঘ) ইঞ্জিন ফ্যান
৪. ইঞ্জিন অয়েলের মেয়াদ শেষ হলে নতুন অয়েল দেওয়ার সাথে সাথে আর কী পরিবর্তন করা উচিত?
ক) এয়ার ফিল্টার
খ) ইঞ্জিন অয়েল ফিল্টার
গ) গিয়ার অয়েল ফিল্টার
ঘ) ফুয়েল ফিল্টার
৫. মোটরযানের বীমা (ইন্স্যুরেন্স) কোন ধরনের বীমার অন্তর্ভুক্ত?
ক) সাধারণ বীমা
খ) জীবন বীমা
গ) মেয়াদি হিসাব বীমা
ঘ) তিন কিস্তি বীমা
৬. রোড সাইনকে কেন তিন ভাগে ভাগ করা হয়?
ক) লাল, হলুদ, সবুজ
খ) সতর্কতামূলক, বাধ্যতামূলক ও তথ্যমূলক
গ) সতর্কতামূলক, বাধ্যতামূলক, রোড মার্কিং
ঘ) রোড মার্কিং, সিগন্যাল ও ট্রাফিক সাইন
৭. ইঞ্জিনের মবিল কত কিলোমিটার চালানোর পর বদল করা উচিত?
ক) ২,০০০ কি.মি.
খ) ৩,০০০ কি.মি.
গ) ৫,০০০ কি.মি.
ঘ) প্রস্ততকারক প্রদত্ত ম্যানুয়াল / হ্যান্ডবুক মোতাবেক নির্দিষ্ট মাইল/কিলোমিটার চলার পর ।
৮. ফুয়েল লাইনে বাতাস প্রবেশের করণে পুয়েল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াকে কি বলে ?—
ক) এয়ার লক
খ) ডেপার লক
গ) অটো লক
ঘ) এন্টি লক
৯. গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটলে সর্বপ্রথম দায়িত্ব কী?
ক) থানায় খবর দেওয়া
খ) গাড়ি সরানো
গ) পানি খাওয়া
ঘ) আহত ব্যক্তির চিকিৎসার ব্যবস্থা করা
১০. ইঞ্জিন অয়েলের মেয়াদ শেষ হলে নতুন অয়েল প্রবেশ করানোর সাথে আর কী পরিবর্তন আবশ্য ?
ক) এয়ার ফিল্টার
খ) ইঞ্জিন অয়েল ফিল্টার
গ) গিয়ার অয়েল ফিল্টার
ঘ) ফুয়েল ফিল্টার
১১. জেব্রাক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী?
ক) দ্রুত চালানো
খ) গাড়ি বন্ধ রাখা
গ) ধীরে চালানো
ঘ) পথচরিীদের সময় অগ্রাধিকার দিতে হবে ।
১২. এই চিহ্ন দ্বারা কী বোঝায়?
ক) উঁচু রাস্তা
খ) পথচারী পারাপার
গ) সামনে স্কুল
ঘ) দুই পৃথক সড়ক সামনে মিলিত হয়েছে
১৩. BHP এর পূর্ণরূপ কী?
(ক) ব্রেক হর্স পাওয়ার
খ) বাম হর্স পাওয়ার
গ) বিগেন্ড হর্স পাওয়ার
ঘ) কাপ হর্স পাওয়ার
১৪. এই চিহ্ন দ্বারা কী বোঝায়?
(ক) অরক্ষিত রেলক্রসিং
(খ) রক্ষিত রেলক্রসিং
গ) সামনে রেলক্রসিং
ঘ) সরকে কাজ চলছে
১৫. IHP কী?
(ক) ইনিজেষ্ট হর্স পাওয়ার
(খ) ইন্ডিকেটেড হর্স পাওয়ার
গ) পিকসনাল হর্স পাওয়ার
ঘ) রিয়েকশন হর্স পাওয়ার
সত্য / মিথ্যা
১৬. ইঞ্জিন ব্রেকের সাহায্যে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করা যায় ।
(ক) true
(খ) false
১৭. অটো গাড়িতে ইঞ্জিন র্স্টাট এর জন্য ক্লাচ চাপতে হয় ।
(ক) true
(খ) false
১৮. ট্রাফিক সিগন্যালের হলুদ বাতি জ্বাললে থামতে হয় ।
(ক) true
(খ) false
১৯. ইগনিশন সুইচের সাহায্যে হেডলাইট নিয়ন্ত্রণ করা হয় ।
(ক) true
(খ) false
২০. গাড়ির সামনে থাকা যানবাহন গুলোকে সংকেত দিতে হয় যাতে আপনাকে ওভারটেক করার জায়গা দেওয় হয় এটি সাধারনত ।
(ক) true
(খ) false
২১. গাড়িতে ঝাঁকুনি কমাবার জন্য ——— ব্যবহৃত হয় ।
উত্তরঃ শক এ্যবজরবার ।
২২. গাড়ির সাইলেন্সার পাইপ দিয়ে ফোটা ফোটা পানি বের হলে ইঞ্জিনের কন্ডিশন———- বুঝায় ।
উত্তরঃ ভালো ।
২৩. আমাদের দেশে গাড়ি রাস্তার ——- ফাশ দিয়ে চলাচল করে ।
উত্তরঃ বামে ।
২৪. এয়ার ভলিউম বা বায়ুর আয়তন শতকরা নাইট্রোজেন———–ভাগ———– অক্সিজেন।
উত্তরঃ ৭৯,২১ ।
২৫. পেট্রোল ইঞ্জিন কম্প্রেশন রেশিও ———–থেকে——–হয় ।
উত্তরঃ ৭.১ থেকে ১০.১
- সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-
০১. প্রশ্ন: মোটরযান কাকে বলে?
উত্তর: মোটরযান আইনে মোটরযান অর্থ কোনো যন্ত্রচালিত যান, যার চালিকাশক্তি বাইরের বা ভিতরের কোনো উৎস হতে সরবরাহ হয়ে থাকে।
০২. প্রশ্ন: গাড়ি চালানোর আগে করণীয় কাজ কী কী?
উত্তর:
- গাড়ির হালনাগাদ বৈধ কাগজপত্র (রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্স টোকেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ইন্স্যুরেন্স (বীমা) সার্টিফিকেট, রুট পারমিট ইত্যাদি) গাড়ির সঙ্গে রাখা।
- গাড়িতে জ্বালানি আছে কি না পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
- রেডিয়েটর ও ব্যাটারিতে পানি আছে কি না পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
- ব্যাটারি কানেকশন পরীক্ষা করা।
- লুব/ইঞ্জিন অয়েলের লেভেল ও ঘনত্ব পরীক্ষা করা, কম থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।
- মাস্টার সিলিন্ডারের ব্রেক ফ্লুইড, ব্রেকঅয়েল পরীক্ষা করা, কম থাকলে নেওয়া।
- গাড়ির ইঞ্জিন, লাইটিং সিস্টেম, ব্যাটারি, স্টিয়ারিং ইত্যাদি সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, নাট-বোল্ট টাইট আছে কি না অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে মোটরযানটি ত্রুটিমুক্ত আছে কি না পরীক্ষা করা।
- ব্রেক ও ক্লাচের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা।
- অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র এবং ফার্স্টএইড বক্স গাড়িতে রাখা।
- গাড়ির বাইরের এবং ভিতরের বাতির অবস্থা, চাকা (টায়ার কন্ডিশন/হাওয়া/নাট/অ্যালাইনমেন্ট/রোটেশন/স্পেয়ার চাকা) পরীক্ষা করা।
০৩. প্রশ্ন: মোটরযানের মেইনটেন্যান্স বা রক্ষণাবেক্ষণ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ত্রুটিমুক্ত অবস্থায় একটি গাড়ি হতে দীর্ঘদিন সার্ভিস পাওয়ার জন্য প্রতিদিন গাড়িতে যে সমস্ত মেরামত কাজ করা হয়, তাকে মোটরযানের মেইনটেন্যান্স বলে।
০৪. প্রশ্ন: একটি মোটরযানে প্রতিদিন কী কী মেইনটেন্যান্স করতে হয়?
উত্তর: ২ নং প্রশ্নের উত্তরের ‘খ’ থেকে ‘ঞ’ পর্যন্ত।
০৫. প্রশ্ন: সার্ভিসিং বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: মোটরযানের ইঞ্জিন ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশের কার্যক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর যে কাজগুলো করা হয়, তাকে সার্ভিসিং বলে।
০৬. প্রশ্ন: গাড়ি সার্ভিসিংয়ে কী কী কাজ করা হয়?
উত্তর:
- ইঞ্জিনের পুরাতন লুবঅয়েল (মবিল) ফেলে দিয়ে নতুন লুবঅয়েল দেওয়া। নতুন লুবঅয়েল দেওয়ার আগে ফ্লাশিং অয়েল দ্বারা ফ্লাশ করা।
- ইঞ্জিন ও রেডিয়েটরের পানি ড্রেন আউট করে ডিটারজেন্ট ও ফ্লাশিংগান দিয়ে পরিষ্কার করা, অতঃপর পরিষ্কার পানি দিয়ে পূর্ণ করা।
- ভারী মোটরযানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গ্রিজিং পয়েন্টে গ্রিজগান দিয়ে নতুন গ্রিজ দেওয়া।
- গাড়ির স্পেয়ার হুইলসহ প্রতিটি চাকায় পরিমাণমতো হাওয়া দেওয়া।
- লুবঅয়েল (মবিল) ফিল্টার, ফুয়েল ফিল্টার ও এয়ারক্লিনার পরিবর্তন করা।
০৭. প্রশ্ন: গাড়ি চালনাকালে কী কী কাগজপত্র গাড়ির সঙ্গে রাখতে হয়?
উত্তর: ক. ড্রাইভিং লাইসেন্স, খ. রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ব্লু-বুক)/স্মার্ট কার্ড, গ. ট্যাক্স টোকেন, ঘ. ইন্স্যুরেন্স সার্টিফিকেট, ঙ. ফিটনেস সার্টিফিকেট (মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়) এবং চ. রুট পারমিট (মোটরসাইকেল এবং চালক ব্যতীত সর্বোচ্চ ৭ আসন বিশিষ্ট ব্যক্তিগত যাত্রীবাহী গাড়ির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)।
০৮. প্রশ্ন: রাস্তায় গাড়ির কাগজপত্র কে কে চেক করতে পারেন?
উত্তর: সার্জেন্ট বা সাব-ইন্সপেক্টরের নিচে নয় এমন পুলিশ কর্মকর্তা, মোটরযান পরিদর্শকসহ বিআরটিএ-র কর্মকর্তা এবং মোবাইল কোর্টের কর্মকর্তা।
০৯. প্রশ্ন: মোটরসাইকেলে হেলমেট পরিধান ও আরোহী বহন সম্পর্কে আইন কী?
উত্তর: মোটরসাইকেলে চালক ব্যতীত ১ জন আরোহী বহন করা যাবে এবং উভয়কেই হেলমেট পরিধান করতে হবে (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১০০)।
১০. প্রশ্ন: সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ কী কী?
উত্তর: ক. অত্যাধিক আত্মবিশ্বাস, খ. মাত্রারিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, গ. অননুমোদিত ওভারটেকিং এবং ঘ. অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন।
১১. প্রশ্ন: গাড়ি দুর্ঘটনায় পতিত হলে চালকের করণীয় কী?
উত্তর: আহত ব্যক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনে নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করা এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটবর্তী থানায় দুর্ঘটনার বিষয়ে রিপোর্ট করা।
১২. প্রশ্ন: আইন অনুযায়ী গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা কত?
উত্তর: হালকা মোটরযান ও মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭০ মাইল, মাঝারি বা ভারী যাত্রীবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৫ মাইল এবং মাঝারি বা ভারী মালবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০ মাইল।
১৩. প্রশ্ন: মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কী?
উত্তর: সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে মোটরযান চালানোর জন্য লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত বৈধ দলিলই মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স।
১৪. প্রশ্ন: অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে?
উত্তর: যে লাইসেন্স দিয়ে একজন চালক কারও বেতনভোগী কর্মচারী না হয়ে মোটর সাইকেল, হালকা মোটরযান এবং অন্যান্য মোটরযান (পরিবহনযান ব্যতীত) চালাতে পারে, তাকে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলে।
১৫. প্রশ্ন: ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স কত?
উত্তর: পেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ২০ বছর এবং অপেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ১৮ বছর।
১৬. প্রশ্ন: কোন কোন ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে?
উত্তর: মৃগী রোগী, উন্মাদ বা পাগল, রাতকানা রোগী, কুষ্ঠ রোগী, হৃদরোগী, অতিরিক্ত মদ্যপ ব্যক্তি, বধির ব্যক্তি এবং বাহু বা পা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে অসুবিধা হয় এমন ব্যক্তি।
১৭. প্রশ্ন: হালকা মোটরযান কাকে বলে?
উত্তর: যে মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭ কেজির অধিক নয়, তাকে হালকা মোটরযান বলে।
১৮. প্রশ্ন: মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান কাকে বলে?
উত্তর: যে মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭ কেজির অধিক কিন্তু ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক নয়, তাকে মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান বলে।
১৯. প্রশ্ন: ভারী মোটরযান কাকে বলে?
উত্তর: যে মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক, তাকে ভারী মোটরযান বলে।
২০. প্রশ্ন: প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান (Private Service Vehicle) কাকে বলে?
উত্তর: ড্রাইভার ব্যতীত আটজনের বেশি যাত্রী বহনের উপযোগী যে মোটরযান মালিকের পক্ষে তার ব্যবসা সম্পর্কিত কাজে এবং বিনা ভাড়ায় যাত্রী বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান বলে।
২১. প্রশ্ন: ট্রাফিক সাইন বা রোড সাইন (চিহ্ন) প্রধানত কত প্রকার ও কী কী?
উত্তর: ট্রাফিক সাইন বা চিহ্ন প্রধানত তিন প্রকার।
- ক. বাধ্যতামূলক (যা বৃত্তাকার হয়)
- খ. সতর্কতামূলক (যা ত্রিভুজাকার হয়)
- গ. তথ্যমূলক (যা আয়তক্ষেত্রাকার হয়)
২২. প্রশ্ন: লাল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে?
উত্তর: নিষেধ বা করা যাবে না বা অবশ্য বর্জনীয় নির্দেশনা প্রদর্শন করে।
২৩. প্রশ্ন: নীল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে?
উত্তর: করতে হবে বা অবশ্য পালনীয় নির্দেশনা প্রদর্শন করে।
২৪. প্রশ্ন: লাল ত্রিভুজাকৃতির সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে?
উত্তর: সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা প্রদর্শন করে।
২৫. প্রশ্ন: নীল রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?
উত্তর: সাধারণ তথ্যমূলক সাইন।
২৬. প্রশ্ন: সবুজ রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?
উত্তর: পথনির্দেশক তথ্যমূলক সাইন, যা জাতীয় মহাসড়কে ব্যবহৃত হয়।
২৭. প্রশ্ন: কালো বর্ডারের সাদা রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?
উত্তর: এটিও পথনির্দেশক তথ্যমূলক সাইন, যা মহাসড়ক ব্যতীত অন্যান্য সড়কে ব্যবহৃত হয়।
২৮. প্রশ্ন: ট্রাফিক সিগন্যাল বা সংকেত কত প্রকার ও কী কী?
উত্তর: ৩ (তিন) প্রকার। যথা- ক. বাহুর সংকেত, খ. আলোর সংকেত ও গ. শব্দ সংকেত।
২৯. প্রশ্ন: ট্রাফিক লাইট সিগন্যালের চক্র বা অনুক্রম (Sequence) গুলি কী কী?
উত্তর: লাল-সবুজ-হলুদ এবং পুনরায় লাল।
৩০. প্রশ্ন: লাল, সবুজ ও হলুদ বাতি কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে?
উত্তর: লাল বাতি জ্বললে গাড়িকে ‘থামা লাইন’ এর পিছনে থামিয়ে অপেক্ষা করতে হবে, সবুজ বাতি জ্বললে গাড়ি নিয়ে অগ্রসর হওয়া যাবে এবং হলুদ বাতি জ্বললে গাড়িকে থামানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।
৩১. প্রশ্ন: নিরাপদ দূরত্ব বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: সামনের গাড়ির সাথে সংঘর্ষ এড়াতে পিছনের গাড়িকে নিরাপদে থামানোর জন্য যে পরিমাণ দূরত্ব বজায় রেখে গাড়ি চালাতে হয় তাকে নিরাপদ দূরত্ব বলে।
৩২. প্রশ্ন: পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চললে নিরাপদ দূরত্ব কত হবে?
উত্তর: ২৫ মিটার।
৩৩. প্রশ্ন: পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ মাইল গতিতে গাড়ি চললে নিরাপদ দূরত্ব কত হবে?
উত্তর: ৫০ গজ বা ১৫০ ফুট।
৩৪. প্রশ্ন: লাল বৃত্তে ৫০ কি.মি. লেখা থাকলে কী বোঝায়?
উত্তর: গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. অর্থাৎ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না।
৩৫. প্রশ্ন: নীল বৃত্তে ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. লেখা থাকলে কী বোঝায়?
উত্তর: সর্বনিম্ন গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. অর্থাৎ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারের কম গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না।
৩৬. প্রশ্ন: লাল বৃত্তের মধ্যে হর্ন আঁকা থাকলে কী বোঝায়?
উত্তর: হর্ন বাজানো নিষেধ।
৩৭. প্রশ্ন: লাল বৃত্তের ভিতরে একটি বড় বাসের ছবি থাকলে কী বোঝায়?
উত্তর: বড় বাস প্রবেশ নিষেধ।
৩৮. প্রশ্ন: লাল বৃত্তে একজন চলমান মানুষের ছবি আঁকা থাকলে কী বোঝায়?
উত্তর: পথচারী পারাপার নিষেধ।
৩৯. প্রশ্ন: লাল ত্রিভুজে একজন চলমান মানুষের ছবি আঁকা থাকলে কী বোঝায়?
উত্তর: সামনে পথচারী পারাপার, তাই সাবধান হতে হবে।
৪০. প্রশ্ন: লাল বৃত্তের ভিতর একটি লাল ও একটি কালো গাড়ি থাকলে কী বোঝায়?
উত্তর: ওভারটেকিং নিষেধ।
৪১. প্রশ্ন: আয়তক্ষেত্রে ‘P’ লেখা থাকলে কী বোঝায়?
উত্তর: পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান।
৪২. প্রশ্ন: কোন কোন স্থানে গাড়ির হর্ন বাজানো নিষেধ?
উত্তর: নীরব এলাকায় গাড়ির হর্ন বাজানো নিষেধ। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত বা অনুরূপ প্রতিষ্ঠানসমূহের চারদিকে ১০০ মিটার পর্যন্ত এলাকা নীরব এলাকা হিসেবে চিহ্নিত।
৪৩. প্রশ্ন: কোন কোন স্থানে ওভারটেক করা নিষেধ?
উত্তর: ক. ওভারটেকিং নিষেধ সম্বলিত সাইন থাকে এমন স্থানে, খ. জংশনে, গ. ব্রিজ/কালভার্ট ও তার আগে পরে নির্দিষ্ট দূরত্ব, ঘ. সরু রাস্তায়, ঙ. হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায়।
৪৪. প্রশ্ন: কোন কোন স্থানে গাড়ি পার্ক করা নিষেধ?
উত্তর: ক. যেখানে পার্কিং নিষেধ বোর্ড আছে এমন স্থানে, খ. জংশনে, গ. ব্রিজ/কালভার্টের ওপর, ঘ. সরু রাস্তায়, ঙ. হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায়, চ. পাহাড়ের ঢালে ও ঢালু রাস্তায়, ফুটপাথ, পথচারী পারাপার এবং তার আশেপাশে, ছ. বাস স্টপেজ ও তার আশেপাশে এবং জ. লেভেল ক্রসিং ও তার আশেপাশে।
৪৫. প্রশ্ন: গাড়ি রাস্তার কোনপাশ দিয়ে চলাচল করবে?
উত্তর: গাড়ি রাস্তার বামপাশ দিয়ে চলাচল করবে। যে রাস্তায় একাধিক লেন থাকবে সেখানে বামপাশের লেনে ধীর গতির গাড়ি, আর ডানপাশের লেনে দ্রুত গতির গাড়ি চলাচল করবে।
৪৬. প্রশ্ন: কখন বামদিক দিয়ে ওভারটেক করা যায়?
উত্তর: যখন সামনের গাড়ি চালক ডানদিকে মোড় নেওয়ার ইচ্ছায় যথাযথ সংকেত দিয়ে রাস্তার মাঝামাঝি স্থানে যেতে থাকবেন তখনই পিছনের গাড়ির চালক বামদিক দিয়ে ওভারটেক করবেন।
৪৭. প্রশ্ন: চলন্ত অবস্থায় সামনের গাড়িকে অনুসরণ করার সময় কী কী বিষয় লক্ষ্য রাখা উচিত?
উত্তর: (ক) সামনের গাড়ির গতি (স্পিড) ও গতিবিধি, (খ) সামনের গাড়ি থামার সংকেত দিচ্ছে কি না, (গ) সামনের গাড়ি ডানে/বামে ঘোরার সংকেত দিচ্ছে কি না, (ঘ) সামনের গাড়ি হতে নিরাপদ দূরত্ব বজায় থাকছে কি না।
৪৮. প্রশ্ন: রাস্তারপাশে সতর্কতামূলক “স্কুল/শিশু” সাইন বোর্ড থাকলে চালকের করণীয় কী?
উত্তর: (ক) গাড়ির গতি কমিয়ে রাস্তার দু-পাশে ভালোভাবে দেখে-শুনে সতর্কতার সাথে অগ্রসর হতে হবে। (খ) রাস্তা পারাপারের অপেক্ষায় কোনো শিশু থাকলে তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
৪৯. প্রশ্ন: গাড়ির গতি কমানোর জন্য চালক হাত দিয়ে কীভাবে সংকেত দেবেন?
উত্তর: চালক তার ডানহাত গাড়ির জানালা দিয়ে সোজাসুজি বের করে ধীরে ধীরে উপরে-নিচে ওঠানামা করাতে থাকবেন।
৫০. প্রশ্ন: লেভেল ক্রসিং বা রেলক্রসিং কত প্রকার ও কী কী?
উত্তর: লেভেল ক্রসিং বা রেলক্রসিং ২ প্রকার। ক. রক্ষিত লেভেল ক্রসিং বা পাহারাদার নিয়ন্ত্রিত রেলক্রসিং, খ. অরক্ষিত লেভেল ক্রসিং বা পাহারাদারবিহীন রেলক্রসিং।
৫১. প্রশ্ন: রক্ষিত লেভেল ক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী?
উত্তর: গাড়ির গতি কমিয়ে সতর্কতার সাথে সামনে আগাতে হবে। যদি রাস্তা বন্ধ থাকে তাহলে গাড়ি থামাতে হবে, আর খোলা থাকলে ডানে বামে ভালোভাবে দেখে অতিক্রম করতে হবে।
৫২. প্রশ্ন: অরক্ষিত লেভেল ক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী?
উত্তর: গাড়ির গতি একদম কমিয়ে সতর্কতার সাথে সামনে আগাতে হবে, প্রয়োজনে লেভেল ক্রসিংয়ের নিকট থামাতে হবে। এরপর ডানে বামে দেখে নিরাপদ মনে হলে অতিক্রম করতে হবে।
৫৩. প্রশ্ন: বিমানবন্দরের কাছে চালককে সতর্ক থাকতে হবে কেন?
উত্তর: (ক) বিমানের প্রচণ্ড শব্দে গাড়ির চালক হঠাৎ বিচলিত হতে পারেন, (খ) সাধারণ শ্রবণ ক্ষমতার ব্যাঘাত ঘটতে পারে, (গ) বিমানবন্দরে ভিভিআইপি/ভিআইপি বেশি চলাচল করে বিধায় এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়।
৫৪. প্রশ্ন: মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীর হেলমেট ব্যবহার করা উচিত কেন?
উত্তর: মানুষের মাথা শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এখানে সামান্য আঘাত লাগলেই মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে। তাই দুর্ঘটনায় মানুষের মাথাকে রক্ষা করার জন্য হেলমেট ব্যবহার করা উচিত।
৫৫. প্রশ্ন: গাড়ির পিছনের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য কতক্ষণ পর পর লুকিং গ্লাস দেখতে হবে?
উত্তর: প্রতি মিনিটে ৬ থেকে ৮ বার।
৫৬. প্রশ্ন: পাহাড়ি রাস্তায় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়?
উত্তর: সামনের গাড়ি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ১ নং গিয়ারে বা ফার্স্ট গিয়ারে সতর্কতার সাথে ধীরে ধীরে উপরে উঠতে হবে। পাহাড়ের চূড়ার কাছে গিয়ে আরও ধীরে উঠতে হবে, কারণ চূড়ায় দৃষ্টিসীমা অত্যন্ত সীমিত। নিচে নামার সময় গাড়ির গতি ক্রমে বাড়তে থাকে বিধায় সামনের গাড়ি থেকে বাড়তি দূরত্ব বজায় রেখে নামতে হবে। ওঠা-নামার সময় কোনোক্রমেই ওভারটেকিং করা যাবে না।
৫৭. প্রশ্ন: বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালানোর বিষয়ে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়?
উত্তর: বৃষ্টির সময় রাস্তা পিচ্ছিল থাকায় ব্রেক কম কাজ করে। এই কারণে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে ধীর গতিতে (সাধারণ গতির চেয়ে অর্ধেক গতিতে) গাড়ি চালাতে হবে, যাতে ব্রেক প্রয়োগ করে অতি সহজেই গাড়ি থামানো যায়। অর্থাৎ ব্রেক প্রয়োগ করে গাড়ি যাতে অতি সহজেই থামানো বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেইরূপ ধীর গতিতে বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালাতে হবে।
৫৮. প্রশ্ন: ব্রিজে ওঠার পূর্বে একজন চালকের করণীয় কী?
উত্তর: ব্রিজ বিশেষ করে উঁচু ব্রিজের অপরপ্রান্ত থেকে আগত গাড়ি সহজে দৃষ্টিগোচর হয় না বিধায় ব্রিজে ওঠার পূর্বে সতর্কতার সাথে গাড়ির গতি কমিয়ে উঠতে হবে। তাছাড়া, রাস্তার তুলনায় ব্রিজের প্রস্থ অনেক কম হয় বিধায় ব্রিজে কখনো ওভারটেকিং করা যাবে না।
৫৯. প্রশ্ন: পার্শ্বরাস্তা থেকে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করার সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়?
উত্তর: পার্শ্বরাস্তা বা ছোট রাস্তা থেকে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করার আগে গাড়ির গতি কমায়ে, প্রয়োজনে থামায়ে, প্রধান রাস্তার গাড়িকে নির্বিঘ্নে আগে যেতে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রধান সড়কে গাড়ির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে সুযোগমতো সতর্কতার সাথে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করতে হবে।
৬০. প্রশ্ন: রাস্তার ওপর প্রধানত কী কী ধরনের রোডমার্কিং অঙ্কিত থাকে?
উত্তর: রাস্তার ওপর প্রধানত ০৩ ধরনের রোডমার্কিং অঙ্কিত থাকে।
- ক. ভাঙালইন, যা অতিক্রম করা যায়।
- খ. একক অখণ্ড লাইন, যা অতিক্রম করা নিষেধ, তবে প্রয়োজনবিশেষ অতিক্রম করা যায়।
- গ. দ্বৈত অখণ্ড লাইন, যা অতিক্রম করা নিষেধ এবং আইনত দণ্ডনীয়। এই ধরনের লাইন দিয়ে ট্রাফিক আইল্যান্ড বা রাস্তার বিভক্তি বোঝায়।
“You will pass just by asking the mentioned questions, it’s not like that at all, but chances are up to 80% to get common. This is just a suggestion. This question is not copied from any board question”
Post review
Finding Your Post
কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব–
কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি, বিশেষ করে বর্তমান যুগে যেখানে কর্মসংস্থান, শিল্প ও প্রযুক্তি নির্ভর উন্নয়ন সবচেয়ে বড় চাহিদা। নিচে এর কয়েকটি প্রধান গুরুত্ব তুলে ধরা হলোঃ
১. কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি
- কারিগরি শিক্ষা সরাসরি হাতে-কলমে কাজ শেখায়।
- দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে সহজে চাকরি পাওয়া যায় বা উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
২. দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা
- দক্ষ মানুষ কর্মক্ষেত্রে সহজে আয় করতে পারে।
- পরিবার ও সমাজের আর্থিক উন্নয়ন সম্ভব হয়।
৩. শিল্প ও প্রযুক্তির বিকাশ
- কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত জনশক্তি শিল্প খাতকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- নতুন প্রযুক্তি সহজে ব্যবহার ও উন্নয়ন সম্ভব হয়।
৪. স্বনির্ভরতা অর্জন
- কারিগরি শিক্ষা মানুষকে শুধু চাকরির জন্য নয়, বরং ব্যবসা-বাণিজ্য বা ছোট উদ্যোগ গড়ার ক্ষমতা দেয়।
- বিদেশে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে কাজ করার সুযোগ বাড়ে।
৫. জাতীয় উন্নয়ন
- একটি দেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষিত জনশক্তি অপরিহার্য।
- দক্ষ জনশক্তি বিদেশে কাজ করে রেমিট্যান্স বাড়ায়।
👉 সংক্ষেপে, কারিগরি শিক্ষা ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি।
Computer Operation Level-3 Suggestion V-12 (Special) is not a question for the NSDA or BTEB board, but our computer and CBTA experts believe that with such preparation, there is a possibility of scoring 100% in the Driving Level-3 Suggestion V-01 NSDA/BRTA/BTEB
Computer Operation, Graphic Design, 2D 3D CAD, WSMO, TDM, Pattern Making, EIM, Electrical, Consumer Electronics, PLC, Automotive Mechanics, Plumbing, Welding, RAC, Digital Marketing, Masonry, Driving Level-3 Suggestion V-01 NSDA/BRTA/BTEB



